


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: নদীবাঁধ তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠল ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নামখানার রাজনগর এলাকা।
জানা গিয়েছে, প্রায় তিনমাস আগে চিনাই নদীতে ৫০০ মিটার বাঁধ মেরামত হয়েছিল। বাঁধের নীচের অংশে বাঁশ দিয়ে পাইলিং হয়। তারপর প্লাস্টিকের বস্তায় পাথর-কাঁকর ভর্তি করে ফেলার কথা ছিল। কিন্তু তা না করে, ফাঁকা বস্তা বাঁধের নীচের অংশে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। বাঁধের নীচের অংশ থেকে প্রচুর ফাঁকা বস্তা উদ্ধার হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নদীবাঁধ মেরামত করা হয়। কিন্তু নিয়ম মেনে কাজ হয় না। নিয়ম অনুযায়ী, বস্তার ভিতর পাথর ভরে বাঁধের নীচের অংশ পাইলিং করার নিয়ম। কিন্তু ঠিকাদার না ভরে ফাঁকা বস্তা ফেলে বাঁধ তৈরি করেছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বহু গ্রামবাসী বাঁধের উপরে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, সঠিকভাবে তদন্ত হওয়া উচিত।
মৌমিতা দাস নামে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘বাঁধে মাটি দেওয়া হয় না। মেরামতের সময় প্রচুর বস্তা নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু তাতে মাটি না ভরে ফাঁকা বস্তা বাঁধের নীচে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাঁধ মেরামতের সময় গ্রামবাসীরা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাইলেও তাঁদের নেওয়া হয় না। মূলত দুর্নীতি আড়াল করতে এমন করা করে ঠিকাদাররা। এই বাঁধ ভেঙে গেলে রাজনগর এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়বে। সে কথা না ভেবে কেবল সরকারি লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করা হয়েছে।’ সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল বলেন, ‘অতীতের সব দুর্নীতির তদন্ত হবে। এবার সব জায়গায় স্থায়ীভাবে নদী বাঁধ মেরামত হবে।’