Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

মার্শের সেঞ্চুরি, গুজরাতকে হারাল লখনউ

মার্শের সেঞ্চুরি, গুজরাতকে হারাল লখনউ
  • ২৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

আমেদাবাদ: বড্ড দেরিতে ঘুম ভাঙল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। প্লে-অফের স্বপ্ন আগেই শেষ হয়েছে। নিয়মরক্ষার ম্যাচে বৃহস্পতিবার গুজরাত টাইটান্সকে ৩৩ রানে হারাল তারা। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন অজি ওপেনার। তাঁর দুরন্ত শতরানের সুবাদে প্রথমে ব্যাট করে রানের ইমারত গড়ে লখনউ। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের স্কোর ২ উইকেটে ২৩৫। জবাবে ৯ উইকেটে ২০২ রানে আটকে যায় গুজরাত। তবে এই ম্যাচে হারলেও প্লে-অফে খেলা আটকাবে না শুভমান গিলদের। সেই টিকিট আগেই পাকা করে ফেলেছেন তাঁরা। পয়েন্ট টেবিলে এক নম্বর স্থান মজবুত করতে এই ম্যাচ অবশ্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল গুজরাতের কাছে। কিন্তু চরম হতাশ করেন বোলাররা। 

Advertisement

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকেন লখনউয়ের দুই ওপেনার মার্করাম ও মার্শ। পাওয়ার প্লে’তেই লখনউয়ের স্কোরবোর্ডে ওঠে বিনা উইকেটে ৫৩ রান। এই পর্বে অবশ্য মার্শের ক্যাচ ফস্কান রাবাডা। সেটাই পরে কাঁটা হয়ে বিঁধল। মাত্র ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণের পর এই অজি ব্যাটার আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। তবে দশম ওভারে সাই কিশোরকে বড় শট মারতে গিয়ে আউট হন মার্করাম। ২৪ বলে ৩৬ রান করে তিনি যখন প্যাভিলিয়নে ফিরলেন দলের স্কোর ১ উইকেটে ৯১। যদিও তিনে নামা নিকোলাস পুরান রানের গতি পড়তে দেননি। ক্রিজে আসার পর থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মার্শকে যোগ্য সঙ্গত করে গেলেন তিনি। মাত্র ২৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন এই ক্যারিবিয়ান বাঁ হাতি তারকা। আর মার্শের শতরান এল ৫৬ বলে। শেষ পর্যন্ত ১১৭ রান করে আর্শাদ খানের বলে আউট হন তিনি। তাঁর ৬৪ বলের এই অনবদ্য ইনিংস সাজানো ১০টি চার ও ৮টি ছক্কায়। এছাড়া নিকোলাস পুরান ২৭ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন। চলতি মরশুমে ফর্ম হাতড়ে বেড়ানো ঋষভ পন্থও ঝোড়ো ব্যাটিং মেলে ধরলেন। মাত্র ৬ বলে তাঁর সংগ্রহ ১৬ রান।
বিশাল রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল গুজরাত টাইটান্সও। বিনা উইকেটে তারা তুলে ফেলেছিল ৪৬ রান। কিন্তু উইল রৌরকির বলে মিসটাইমিং করে ২১ রানের মাথায় ডাগ-আউটে ফেরেন দুরন্ত ফর্মে থাকা সাই সুদর্শন। মনে হচ্ছিল, চাপের মুখে ফের একবার শক্ত হাতে হাল ধরবেন ক্যাপ্টেন শুভমান গিল। তা আর হয়নি। প্রতিদিন তো বড় ইনিংস খেলা যায় না! ৩৫ রানে তাঁকে ফিরিয়ে গুজরাতকে প্রবল চাপে ফেলে দেন আভেশ খান। এরপর জস বাটলার (৩৩), শেফানে রাদারফোর্ড (৩৮) ক্রিজে সেট হয়েও দলকে টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। শেষদিকে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন শাহরুখ খান (৫৭)। কিন্তু হাফ-সেঞ্চুরির পর রানের গতি বাড়াতে গিয়ে আভেশের বলে রবি বিষ্ণোইয়ের হাতে ধরা পড়েন তিনি। লখনউ বোলারদের মধ্যে রৌরকি তিনটি এবং আভেশ ও বাদোনি দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বল করার সময় দু’বার পা পিছলে পড়ে যান গুজরাতের পেসার আর্শাদ খান। তাতে প্রশ্নের মুখে মোতেরা স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড। এমনিতেই সঙ্গত কোনও কারণ ছাড়া ইডেন থেকে ফাইনাল আমেদাবাদে সরিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারতীয় বোর্ড। তার উপর এবার আউটফিল্ড নিয়ে বিতর্ক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ