Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পড়ুয়া টানতে বাংলা থেকে হিন্দি মাধ্যমে বদলাচ্ছে রাজ্যের বহু ডিএলএড কলেজ

রাজ্যের ডিএলএড কলেজগুলিতে ছাত্র হচ্ছে না। তাই ভিন রাজ্যের পড়ুয়া টানতে বেসরকারি কলেজগুলির মধ্যে ভাষা মাধ্যম বাংলা থেকে হিন্দিতে পরিবর্তনের হিড়িক পড়েছে।

পড়ুয়া টানতে বাংলা থেকে হিন্দি মাধ্যমে বদলাচ্ছে রাজ্যের বহু ডিএলএড কলেজ
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: রাজ্যের ডিএলএড কলেজগুলিতে ছাত্র হচ্ছে না। তাই ভিন রাজ্যের পড়ুয়া টানতে বেসরকারি কলেজগুলির মধ্যে ভাষা মাধ্যম বাংলা থেকে হিন্দিতে পরিবর্তনের হিড়িক পড়েছে। কর্ণধারদের অনেকেই বলছেন, রাজ্যে প্রায় ৩০টি হিন্দি মাধ্যমের মধ্যে খান পঁচিশেক হয়েছে একবছরের মধ্যেই। তাঁরা বলছেন, হিন্দি মাধ্যমের ডিএলএড কলেজ ফাঁকা থাকছে না। আর সেখানে বাংলা মাধ্যমের কলেজগুলি মাছি তাড়াচ্ছে। ভিন রাজ্যের পড়ুয়াদের থেকে আয় বাড়ছে ঠিকই। তবে, এই পরিস্থিতি ভাবাচ্ছেও তাঁদের।

Advertisement

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এক কর্তা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা এনসিটিইর কাছে আবেদন করছে কলেজগুলি। সেটা আমাদের কাছে এনসিটিই পাঠালে আমরা কিছু বিষয় খতিয়ে দেখে অনুমোদন দিচ্ছি। সেখানে সংশ্লিষ্ট ভাষার মানুষের সংখ্যা কত, কাছাকাছি সেই ভাষার প্রাথমিক স্কুল রয়েছে কি না, এগুলি মাথায় রাখা হচ্ছে। কারণ, ট্রেনিংয়ের ক্ষেত্রে সেরকম স্কুলে যেতে হয় প্রার্থীদের।’ তাঁর দাবি, ১৪-১৫টি কলেজ খুব কম সময়ের মধ্যে হিন্দি মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে। ভিন রাজ্য শুধু নয়, এরাজ্যের বাসিন্দাদের মধ্যেও হিন্দি মাধ্যমের কলেজের চাহিদা রয়েছে বলেই আবেদন জমা পড়ছে। উত্তর দিনাজপুরে একটি কলেজ উর্দু মাধ্যমে এবং উত্তরবঙ্গের আরও উত্তরে খান দুই কলেজ নেপালি মাধ্যমেও ক্লাস চালুর অনুমোদন পেয়েছে।
কর্ণধাররা অবশ্য বলছেন, ২৫টি তো বটেই, আরও বেশি কলেজ রয়েছে এই তালিকায়। মূলত বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে ডিএলএড কলেজের অভাবের কারণেই সেখানকার পড়ুয়ারা বাংলায় চলে আসছেন। এদিকে, রাজ্যে মোট বেসরকারি কলেজ রয়েছে সাড়ে পাঁচশোরও বেশি। তবে, অনুমোদন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বেশকিছু কলেজের ভাগ্য অনিশ্চিত। অবশ্য আপাতত সবাই পড়ুয়া ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভর্তি শুরু হবে এই কলেজগুলিতে। তবে, আবেদন একেবারেই আশাব্যাঞ্জক নয়। কর্ণধারদের দাবি, হিন্দি কলেজগুলির আসন পূরণ হয়ে গেলেও ১৫ হাজারেরও বেশি আসন ফাঁকা। তাই তাঁরা আবেদনের সময় বাড়ানোর দাবিও জানাচ্ছেন। যদিও পর্ষদ মনে করছে, এখনও পর্যন্ত যা আবেদন জমা পড়েছে, সময় বাড়লেও তাতে খুব একটা পরিবর্তন হবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ