ইন্দোর: মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপে যন্ত্রণার পরাজয় ভারতের। রবিবার হোলকার স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের কাছে ৪ রানে হারল হরমনপ্রীত কাউরের দল। এই নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে পরাজয়ের হ্যাটট্রিক হল টিম ইন্ডিয়ার। ফলে সেমি-ফাইনালের সম্ভাবনা ক্রমশ দূরে সরছে। পাঁচ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট মাত্র ৪। বাকি দুটো ম্যাচই জিততে হবে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড উঠল শেষ চারে।
২৮৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে এদিন ভারতের সংগ্রহ ২৮৪-৬। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৪ রান। কিন্তু আমনজ্যোৎ কাউর, স্নেহ রানারা জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি। অথচ, স্মৃতি-হরমনপ্রীত যখন খেলছিলেন, তখন জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। কার্যত, জেতা ম্যাচ ফেলে এল ভারত। আর সেটাই আক্ষেপের। হোমটিমের রান তাড়ার শুরুটা যদিও ভালো হয়নি। তৃতীয় ওভারেই ব্যক্তিগত ৬ রানে ডাগ আউটে ফেরেন প্রতীকা রাওয়াল। তিনে নামা হারলিন দেওলের ব্যাট থেকেও ২৪ রানের বেশি আসেনি। তবে ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা প্রাথমিক ধাক্কা সামলে টানতে থাকেন। তাঁর অর্ধশতরান আসে ৬০ বলে। স্মৃতির সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত ১২২ বলে যোগ করেন ১২৫। এই জুটিই জয়ের আশা উস্কে দেয়। হরমনপ্রীতের পঞ্চাশ আসে ৫৪ বলে। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭০ রানে ফেরেন। একশো স্ট্রাইকরেটে তাঁর ইনিংস সাজানো ১০টি চারে। ছক্কা মারতে গিয়ে স্মৃতি থামেন ৮৮ রানে। ৯৪ বলের ইনিংসে তিনি মারেন আটটি বাউন্ডারি। দীপ্তি শর্মার সঙ্গে স্মৃতির চতুর্থ উইকেটের জুটিতে আসে ৬৭ রান। মান্ধানা ফেরার পর দায়িত্ব নেন দীপ্তি। ৫৭ বলে ৫০ করেন তিনি। রিচা ঘোষ (৮) যদিও ব্যর্থ। দীপ্তি ফিরতেই যদিও নিশ্চিত হয় পরাজয়।
এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ইংল্যান্ড। ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ৭৩। ট্যামি বিউমন্ট (২২) ফেরার পর অ্যামি জোন্সও (৫৬) বেশিক্ষণ থাকেননি। এরপর তৃতীয় উইকেটে ওঠে ১১৩ রান। হিদার নাইট দীর্ঘ চার বছর পর শতরান হাঁকান। ৯১ বলে ১০৯ রানের ইনিংস খেলে রান আউট হন। হিদার মারেন ১৫টি চার ও একটি ছক্কা। ক্যাপ্টেন ন্যাট স্কিভার-ব্রান্টের সংগ্রহ ৩৮। ইংল্যান্ড আট উইকেটে তোলে ২৮৮। ভারতের সফলতম বোলার দীপ্তি শর্মা। ৫১ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট নেন তিনি। শ্রী চরণি নেন দুই উইকেট।