Bartaman Logo
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গোবরডাঙায় মণ্ডল সভাপতিকে বহিষ্কার, বিজেপিতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? বারাসতে উঠল তোলাবাজির অভিযোগ

উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় বিধানসভা ভোটের আগেও একাধিকবার গেরুয়া শিবিরের অন্তর্কলহ বেআব্রু হয়েছে।

গোবরডাঙায় মণ্ডল সভাপতিকে বহিষ্কার, বিজেপিতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? বারাসতে উঠল তোলাবাজির অভিযোগ
  • ২২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় বিধানসভা ভোটের আগেও একাধিকবার গেরুয়া শিবিরের অন্তর্কলহ বেআব্রু হয়েছে। ভোটে বিপুল জয়ের পর বিজেপির সরকার গঠন হলেও দলের মধ্যে সেই কোন্দলে ইতি পড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না! এবার দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে গোবরডাঙা পুর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করল দলের রাজ্য শৃঙ্খলা কমিটি। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো, শারীরিক হেনস্তা, তাঁদের থেকে তোলাবাজি এবং সমাজমাধ্যমে অনৈতিক তথ্য ছড়ানোর মতো একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। রাজ্য শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপারিশে এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নির্দেশে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই বহিষ্কারও আদতে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। কারণ, ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় থেকেই গোবরডাঙায় বিজেপির একাংশের সঙ্গে আশিসবাবুর মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল। স্টেশন সংলগ্ন একটি দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝোলানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তাছাড়া, আশিসবাবু নিজের বাড়ি থেকেই সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করতেন বলেও অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের পাশাপাশি ভোট-পরবর্তী সময়ে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ খতিয়ে দেখেই শৃঙ্খলা কমিটি এই পদক্ষেপ করেছে বলে খবর। তবে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘চিঠি এখনও হাতে আসেনি। তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করব না। আমি এখনও দলের অনুগত সৈনিক।’

Advertisement

এদিকে, বারাসতে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে উঠল তোলাবাজির অভিযোগ। এক সেলুনের মালকিন লিখিতভাবে বারাসতের বিজেপি বিধায়কের কাছে এই অভিযোগ জানিয়েছেন। সেলুন মালকিন বিনিতা দাসের অভিযোগ, রাজা চক্রবর্তী নামে একজন বিজেপি নেতা তাঁকে ফোন করে জানান, তাঁর দু’জন প্রতিনিধি দেখা করবেন। পরে ওই দু’জন এসে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে। তিনি এত টাকা দিতে পারবেন না জানালে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে রাজা চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি কারও কাছে টাকা চাইনি। তৃণমূলের প্ররোচনায় ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ