সংবাদদাতা, খড়্গপুর: ‘ঝড়ঝঞ্ঝা’ উপেক্ষা করে তাঁরা নেত্রীর পাশে আছেন। আগামী দিনেও থাকবেন। এমনটাই বার্তা দিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মমতাপন্থী বা আদি তৃণমূলের নেতারা। মমতা তৃণমূলের খড়্গপুরের বর্ষীয়ান নেতা জওহর পাল, দেবাশিস চৌধুরী থেকে কেশপুরের মহম্মদ রফিক কিংবা শালবনীর জ্যোতিপপ্রসাদ মাহাতরা শনিবার একসুরে বলেন, ‘মমতাই দল, মমতাই সিম্বল!’ তাঁদের মতে, দলের নাম (সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস) এবং প্রতীক (জোড়াফুল) নির্বাচন কমিশন কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু, নেত্রীকে তাঁদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারেনি। তাঁরা জানান, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার জন্মলগ্ন থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আছেন। তৃণমূলের এই ‘পরিণতি’ তাঁদের চোখে জল আনলেও তাঁরা যে নেত্রীর পাশ থেকে সরবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। খড়্গপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান তথা বর্ষীয়ান নেতা জওহরবাবু বলেন, ‘আমি ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সৈনিক। নেত্রীর বদান্যতায় একদিন যারা সবথেকে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছিল, আজ তারাই বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দলটাকে শেষ করল।’ জওহরবাবু মনে করিয়ে দেন, ‘রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারী সহ তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক বহু দিনের। কোভিডের সময়ে শুভেন্দুবাবুই দায়িত্ব নিয়ে আমাকে কলকাতা থেকে চিকিৎসা করে বাঁচিয়ে এনেছিলেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা চিরকাল থাকবে। বিজেপি করলে তাঁর হাত ধরে অনেক আগেই যেতে পারতাম। কিন্তু, মমতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা সম্ভব নয়!’



