Bartaman Logo
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সবংয়ে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুরুতর জখম বয়স্ক কর্মী, অভিযোগ দায়ের থানায়

সবংয়ে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন দিবাকর সামন্ত। স্থানান্তরিত করা হয় হাসপাতালে। কেন ঘটল এই সংঘর্ষ? বিস্তারিত পড়ুন।

সবংয়ে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুরুতর জখম বয়স্ক কর্মী, অভিযোগ দায়ের থানায়
  • ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: সবংয়ে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুরুতর জখম এক বয়স্ক কর্মী। আহত ওই কর্মীর নাম দিবাকর সামন্ত। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে সবংয়ের বিষ্ণুপুর অঞ্চলের নোনামাধবচক এলাকায়। এদিন দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সবং গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় দিবাকরবাবুকে। তাঁর স্পাইনাল কর্ড সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তোলাবাজিকে কেন্দ্র করে এদিন বিষ্ণুপুর অঞ্চলে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আর তাতেই এক গোষ্ঠীর মারে গুরুতর জখম হন অপর গোষ্ঠীর নেতা দিবাকরবাবু। ওই গোষ্ঠীর নেত্রী সুস্মিতা ভৌমিক আলির অভিযোগ, একসময় যারা তৃণমূল করত, তারাই এখন বিজেপি সেজে দিবাকরবাবুকে মারধর করেছে।

Advertisement

দিবাকরবাবুর স্ত্রী সুমিত্রা সামন্ত এদিন সবং গ্রামীণ হাসপাতালে দাঁড়িয়ে বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী তোলাবাজি করে বেড়াচ্ছিল। দিবাকরবাবু তার প্রতিবাদ করায় এদিন সকালে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘরে ঢুকে গিয়েও রেহাই পাননি তিনি। তাঁর আঘাত গুরুতর বলে জানিয়েছেন স্ত্রী। এদিন বিকেলে সবং গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করে তাঁকে তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের অভিযোগের তীর অজিত মণ্ডল, তপন  বর্মন, প্রশান্ত বিজলি সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর দিকে। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পরিবারের তরফে। যদিও, মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা বলেন, ঠেলাঠেলিতে পড়ে গিয়েছিলেন দিবাকরবাবু। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অমূল্য মাইতি বলেন, 'যা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব।' সবংয়ের বিধায়ক অমল পন্ডা বলেন, 'আমি একটু ব্যস্ত থাকায় জানিনা ঠিক কি ঘটেছে, তবে এই সমস্ত জিনিস একদম বরদাস্ত করা হবে না।' এলাকার সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীরা বলেন, সবংয়ে অমলবাবু ও অমূল্যবাবুর দু'টি গোষ্ঠী রয়েছে। দু'দিন আগেই প্রকাশ্য সভা থেকে নাম না করে এক বিজেপি কর্মীকে আবাসের জন্য 'কাটমানি' না দিতে সবংবাসীকে আবেদন জানিয়েছিলেন অমূল্যবাবু। ওই কাটমানি-তোলাবাজিকে কেন্দ্র করেই এদিন সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ