Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আয়কর দপ্তরকে ‘মোদির তোতা পাখি’ বলে কটাক্ষ, ভোটের দিন এজেন্টেদের সতর্ক থাকার বার্তা মমতা

বাংলা দখলের লক্ষ্যে তৃণমূল এজেন্টদেরও টার্গেট করতে পারে বিজেপি। আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বারুইপুরের সভা থেকে সেই কারণে দলীয় কর্মীদের প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করার কথা জানিয়েছেন মমতা।

আয়কর দপ্তরকে ‘মোদির তোতা পাখি’ বলে কটাক্ষ, ভোটের দিন এজেন্টেদের সতর্ক থাকার বার্তা মমতা
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারুইপুর: বাংলা দখলের লক্ষ্যে তৃণমূল এজেন্টদেরও টার্গেট করতে পারে বিজেপি। আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বারুইপুরের সভা থেকে সেই কারণে দলীয় কর্মীদের প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করার কথা জানিয়েছেন মমতা। তিনি এদিন বলেন, ‘বিজেপি টাকা দিতে চাইবে। আর সেই টাকা নিলে, নির্বাচন শেষে তাঁদের বাড়িতে ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে দেবে।’ একই সঙ্গে ভোটের বাজারে বিজেপি টাকার ‘হুন্ডি’ নিয়ে ঘুরছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়। টাকা দিয়ে কিনতে না পারলে, তাঁর দলের কর্মীদের চায়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে দিতে পারে বলেও সতর্ক করে দেন তিনি। 

Advertisement

কর্মীদের সতর্ক করার পাশাপাশি এদিন এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার বিরুদ্ধেও গর্জে ওঠেন মমতা। শুক্রবার রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার এবং তাঁর আত্মীয়দের বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে এক হাত নেন তিনি। বলেন, ‘গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে না পেরে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির সাহায্য নিতে হচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে।’ এমনকি আয়কর দপ্তরকে নরেন্দ্র মোদির তোতা পাখি বলেও কটাক্ষ করেন মমতা। 
এদিনও তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে থানার ওসি পর্যন্ত আমূল বদলি করে দেওয়া নিয়েও কমিশনকে আক্রমণ করেন তিনি। নাম না করে রাজ্যে কমিশনের নিযুক্ত এক অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মমতা। তিনি বলেন, ‘সিঙ্গুর আন্দোলনে জমি দখল করার সব থেকে বড়ো হোতা যিনি, তিনিই এখন রিটায়ার্ড। ভার্চুয়াল মিটিং করে বলছেন তৃণমূলকে গ্রেপ্তার করতে। বলছেন, গাড়িতে গাঁজা ঢুকিয়ে দাও। ইনকাম ট্যাক্স, ইডিকে বলছে রেড করতে। লজ্জা করে না। নির্বাচনে গণতান্ত্রিকভাবে লড়তে পারে না। দিল্লি থেকে এল ভাই, সঙ্গে এল ইডি-সিবিআই।’ 
আরও একটি গুরুতর অভিযোগ শোনা গিয়েছে মমতার গলায়। তিনি দাবি করেছেন, বিচারাধীন পর্ব পেরিয়ে যে ৩২ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকায় উঠেছে, সেখান থেকে বেছে বেছে নাম বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, ‘আমি সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করে ৩২ লক্ষের নাম তুলেছি। এখন বেছে বেছে সেখান থেকেও নাম কাটছে ভ্যানিশ কুমার।’

সম্পর্কিত সংবাদ