কলি ঘোষ: ভারতীয় ঐতিহ্যে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ক্লাসিক সংস্থা। সম্প্রতি এই উদ্দেশ্যে তারা ভারত সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় বালিগঞ্জ ইনস্টিটিউটের সেমিনার হলে দু’দিন ব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নবীন ও প্রবীণ শিল্পী সমন্বয়ে কণ্ঠসঙ্গীত সম্মেলন, কর্মশালার পাশাপাশি নানাধরনের সামাজিক উদ্যোগও নেয় এই সংস্থা। অত্রি চট্টোপাধ্যায়, সোমক চট্টোপাধ্যায়, ঐশী চট্টোপাধ্যায় ও সৌরিস রায়ের পরিবেশিত সরস্বতী বন্দনা দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তাঁদের তবলায় সহযোগিতা করেন শুভম আচার্য। এরপর শাশ্বতী বাগচী রাগ জয়জয়ন্তী ও কাজরী শোনান। শিল্পীকে তবলা ও হারমোনিয়ামে যথাযোগ্য সহযোগিতা করেন বিশ্বজিত দেব ও সনাতন গোস্বামী। সেতারে বেদর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় দেশ রাগে বিলম্বিত তিনতাল ও দ্রুত তিনতাল বাজিয়ে শোনান। সঙ্গে দেবজ্যোতি দাশগুপ্তের তবলা সহযোগিতা সকলকে মুগ্ধ করে। কন্ঠসঙ্গীতে রাগ মিঞা মল্লার ও একটি ঠুমরি পরিবেশন করেন শিল্পী নভোদীপ চক্রবর্তী। তাঁকে তবলায় সহযোগিতা করেন তিমিরবরণ চক্রবর্তী। দ্বিতীয় দিনে দর্শনা দত্ত জয়জয়ন্তী রাগে খেয়াল ও টপ্পা পরিবেশন করেন। শিল্পীকে তবলা ও হারমোনিয়ামে সহযোগিতা করেন কৃষ্ণপ্রিয় গুহঠাকুরতা ও সায়ন চট্টোপাধ্যায়। সেতারে সৌমাল্য চক্রবর্তীর মেঘমল্লার অনুষ্ঠানে আলাদা মাত্রা আনে। খেয়ালে শিল্পী রাকেশ কুমার পাঠক রাগ মেঘ ও একটি কাজরী শোনান। ফারুখাবাদ ঘরানার প্রবীণ শিল্পী সুজিত সাহার তবলা লহড়া অনুষ্ঠানটিকে ভরিয়ে তোলে।



