Bartaman Logo
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জিকেসিআইইটি’র হলফনামা পেয়ে বিটেকের ফল প্রকাশ করল ম্যাকাউট

অবশেষে সেমেস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ সংক্রান্ত জটিলতা কাটল গনিখান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজিতে (জিকেসিআইইটি)।

জিকেসিআইইটি’র হলফনামা পেয়ে বিটেকের ফল প্রকাশ করল ম্যাকাউট
  • ১৩ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা মালদহ ও পুরাতন মালদহ: অবশেষে সেমেস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ সংক্রান্ত জটিলতা কাটল গনিখান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজিতে (জিকেসিআইইটি)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেমেস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (ম্যাকাউট) কর্তৃপক্ষ। এর ফলে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের ফলে তৈরি হওয়া অচলাবস্থার প্রায় অবসান হল। অবশ্য ফল প্রকাশ সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে জিকেসিআইইটি কর্তৃপক্ষকে একটি হলফনামা দাখিল করতে হয়েছে বলে ওই প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি হোলির পরে আগামী সপ্তাহ থেকে হোস্টেল  ও ক্লাস চালু হতে চলেছে। 

Advertisement

৭ মার্চ জিকেসিআইইটি’র পড়ুয়াদের একাংশ ফলপ্রকাশের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। জানুয়ারি মাসে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঁচটি বিভাগের প্রায় চার শতাধিক পড়ুয়া প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম সেমেস্টার পরীক্ষায় বসেছিলেন। ওই পরীক্ষা হয় ম্যাকাউটের তত্ত্বাবধানে। ফেব্রুয়ারি মাসে ম্যাকাউটের অধীনস্থ অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পরীক্ষার্থীরা ফল পেয়ে যায়। কিন্তু জিকেসিআইইটি’র পরীক্ষার্থীরা তা হাতে পাননি। ইতিমধ্যে পুনর্মূল্যায়নের সময়ও পেরিয়ে যায়। এরপরই আন্দোলনে নামেন পরীক্ষার্থীরা। শেষ পর্যন্ত পড়ুয়াদের একাংশ তাণ্ডব চালিয়েছেন অভিযোগ করে কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য হোস্টেল ও ক্লাস বন্ধ রাখার নোটিস দেয়। 
অচলাবস্থা কাটাতে ম্যাকাউট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চলতে থাকে জিকেসিআইইটি’র ডিরেক্টরের।
 শেষ পর্যন্ত ডিরেক্টর পরীক্ষার খাতা দেখা সংক্রান্ত একটি হলফনামা জমা দেওয়ার পরেই ফলপ্রকাশ করে ম্যাকাউট। যাঁদের ফল দেরিতে প্রকাশ হয়েছে, তাঁরা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন বলেও জানা গিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী নিবন্ধক দেবানিক মজুমদার বলেন, হোস্টেল ও ক্লাস বন্ধের নোটিস যেদিন বের হয়, তারপর কলেজ খোলা রাখতে আমরা আরও একটি নোটিস দিয়েছিলাম। প্রশাসনিক বিভাগ সহ কলেজ খোলা রয়েছে। রেজাল্টের সমস্যা মিটে গিয়েছে।
জিকেসিআইইটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের কিছু অধ্যাপক তাঁদের জন্য বরাদ্দের থেকে কম সংখ্যক খাতা দেখেছিলেন বলে ম্যাকাউটের তরফে আপত্তি তোলা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর সিবি জন হলফনামায় জানিয়েছেন, বিষয়টির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে পদক্ষেপ করা হবে।  এব্যাপারে  তাঁর বক্তব্য জানতে চেয়ে ডিরেক্টরকে বারংবার ফোন এবং মেসেজ করলেও জবাব মেলেনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ