


নিজস্ব প্রতিনিধি,নয়াদিল্লি: আয়ের সিংহভাগই খরচ হচ্ছে খাদ্যের সংস্থান করতে। দ্বিতীয় যে খরচ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে সেটি হল পরিবহণ। এরপর থাকছে চিকিৎসা ব্যয়ভার। হোটেল অথবা রেস্তরাঁয় খাওয়ার মতো বিষয়টি সরে যাচ্ছে অনেক পিছনে। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টস তথ্য প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টেই ভারতবাসীর আয় ও ব্যয়ের প্রবণতা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, খাদ্য-পানীয়ের পিছনে খরচ হচ্ছে ২৯ শতাংশ। ১৭ শতাংশ পরিবহণে। আর্থিক ব্যয় সম্মিলিতভাবে যে সেক্টরে সবথেকে বেশি হচ্ছে সেটি হল পরিষেবা। অর্থাৎ বিভিন্ন বিল মেটানো কিংবা পরিষেবা চার্জ দেওয়া। এর হার ৪৯ শতাংশ।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২ বছরের সময়সীমায় জনপ্রতি আয় এবং জনপ্রতি ব্যয়ের যে অনুপাত সেটি প্রত্যাশিতভাবে বাড়েনি। ২০১২ সালে জনপ্রতি গড় ক্রয় বা ব্যয় প্রবণতা ছিল বছরে ৪০ হাজার ২৫০ টাকা। আয় ছিল ৬৩ হাজার টাকা। ২০২৪ সালে এসে বার্ষিক গড় আয় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা এবং গড় ব্যয় ৭১ হাজার টাকা। এই দুয়ের অনুপাত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের তালিকায় খাদ্য ও পানীয় একদম সামনের সারিতে। জ্বালানির ব্যয়ও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রায় ১৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতে ৫.৬ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে। এই তালিকার সবথেকে নীচে স্থান পাচ্ছে রেস্তরাঁ হোটেলে খাওয়া অথবা সংস্কৃতির চর্চা জাতীয় কোনও বিনোদন। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ব্যয় প্রবণতার হার মাত্র ০.৮ শতাংশ। সোজা কথায়, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান— আজও সবথেকে বেশি জরুরি এবং প্রাথমিক ব্যয়ের তালিকায়। সরকারি পরিসংখ্যানই সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।