নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বাইরের কোনো পর্যটক এ রাজ্যে বেড়াতে এসে যেন কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা নিয়ে না ফেরেন, সেটা নিশ্চিত করাই অন্যতম লক্ষ্য। দায়িত্বশীল পর্যটন উপহার দিতে চাই আমরা। এমনটাই জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বাইরের কোনো পর্যটক এ রাজ্যে বেড়াতে এসে যেন কোনো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা নিয়ে না ফেরেন, সেটা নিশ্চিত করাই অন্যতম লক্ষ্য। দায়িত্বশীল পর্যটন উপহার দিতে চাই আমরা। এমনটাই জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ।
ট্যুরিজমে নয়া দিশা দেখাতে আজ, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন তিনি। সেখানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলকে ডাকা হয়েছে। বৈঠকে রাজ্যের বর্তমান সরকারের ট্যুরিজম পলিসি স্পষ্ট করার পাশাপাশি পর্যটনের প্রসারে স্টেক হোল্ডারদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।
মন্ত্রী বলেন, ট্যুরিজমে অনেক কিছু করার আছে। আমরা তা করে দেখাব। প্রথমে ভিশন, পরে মিশন, এই নীতিতে এগচ্ছি আমরা। তিনি বলেন, আগের সরকার ডেস্টিনেশন খুঁজেছে। কিন্তু সেখানে ট্যুরিজম প্রোমোট করতে পারেনি। এতদিন তা হয়নি। ফলে পর্যটনের প্রসার ঘটেনি। আমরা এখানেই জোর দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ট্যুরিজমের পলিসি তৈরি হয়েছে। স্টেক হোল্ডার সহ পর্যটকদের কাছ থেকে মতামত নিচ্ছি। এভাবেই পর্যটনে নয়া রূপরেখা তৈরি হবে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সুন্দরবন কিংবা দিঘা বা পুরুলিয়া সব জায়গাতেই যে পর্যটনের ছবিটা বদলে যাবে, তা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
এদিকে, ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ির গজলডোবা ঘুরে দেখেছেন পর্যটনমন্ত্রী। গজলডোবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে দেশ-বিদেশের পর্যটক টানতে বর্তমান রাজ্য সরকারের যে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে, তার ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, গজলডোবার প্রোমোশন আমরা কীভাবে করব তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জুলাইয়ের শেষে পর্যটন নিয়ে বড়ো কোনো ঘোষণা হতে পারে। এটুকু বলতে পারি, গজলডোবা পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হবে। পর্যটনে ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংয়ে জোর দিচ্ছি আমরা।
শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে একটি পর্যটন সার্কিট গড়ার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী। উত্তরে যাঁরা বেড়াতে আসেন, তাঁদের অনেকেই সিকিমেও ঘুরতে যান। সেক্ষেত্রে বাংলা ও সিকিম যদি পর্যটনের ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসাবে কাজ করে, সেক্ষেত্রেও ট্যুরিজমের অনেক বেশি প্রসার ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এবিষয়গুলি মাথায় রেখেই পর্যটনের নয়া
রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।