মুম্বই: সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিয়ে সফল প্রেমিকা। পাশ করতে পারেননি প্রেমিক। এই পরিস্থিতিতে যুগলের মধ্যে বিচ্ছেদ অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু সেই বিচ্ছেদ ও তার পরবর্তী ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র জেরেই প্রকাশ্যে এল মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা। ইতিমধ্যেই ড্রাগ ইনস্পেকটর পদের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে সেরাজ্যের সরকার। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে তিনজন সরকারি আধিকারিক। জানা যাচ্ছে, জনৈক চাকরিপ্রার্থী রিতুজা পাতিলের বাবা অমৃত পাতিল মেয়ের জন্য নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কিনেছিলেন। প্রবীণ পাতিল নামে এক কোচিং সেন্টারের ডিরেক্টর তাঁকে সেই প্রশ্নপত্র বিক্রি করেন। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রবীণ ও মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। যদিও প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছিল ১২ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দরে। রিতুজা সেই প্রশ্নপত্র দিয়েছিলেন তার প্রেমিক (অধুনা প্রাক্তন) গৌরব পাতিলকে। কিন্তু সেই পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি গৌরব। কিন্তু পাশ করেন রিতুজা। তারপরেই মনোমালিন্যের জেরে যুগলের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। সম্পর্ক ভেঙে যেতেই ইমেলে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ করেন গৌরব। পরে অবশ্য সেই অভিযোগ তুলে নিতে চেয়েছিলেন ওই যুবক। ততক্ষণে তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট রুম অফিসার বিশ্বেশ্বর দত্তাত্রেয় নাকাটে ও গোপাল ভাট্টু মারাটে, আন্ডার সেক্রেটারি অভিজিৎ গনপতরাও লেন্ডভে। তিনজনই মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশনের আধিকারিক। এছাড়াও গৌরব, রিতুজার বাবা অমৃত পাতিল ও কোচিং সেন্টারের ডিরেক্টর প্রবীণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।



