Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

মহারাষ্ট্রে পুর নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৬৮ আসনে জয়ী মহাযুতি, একা বিজেপির ঝুলিতেই গেল ৪৪টি

মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে বড় চমক। ভোটগ্রহণের আগেই ৬৬ আসনে জয় নিশ্চিত করল বিজেপি ও একনাথ সিন্ধের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার মহাযুতি জোট।

মহারাষ্ট্রে পুর নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৬৮ আসনে জয়ী মহাযুতি, একা বিজেপির ঝুলিতেই গেল ৪৪টি
  • ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে বড় চমক। ভোটগ্রহণের আগেই ৬৬ আসনে জয় নিশ্চিত করল বিজেপি ও একনাথ সিন্ধের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার মহাযুতি জোট। শুক্রবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। জানা গিয়েছে, বিপুল সংখ্যক বিরোধী প্রার্থী মনোনয়ন তুলে নিয়েছেন। তাতেই এমন ফলাফল সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ৬৮টি আসনে মহাযুতি প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। যার মধ্যে ৬৬টি আসনই গিয়েছে বিজেপি ও শিবসেনা (সিন্ধে গোষ্ঠী)-র ঝুলিতে। বাকি দুটি আসনে জয়ী উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি। একা বিজেপিরই ৪৪ জন প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। সবচেয়ে বেশি সাফল্য মিলেছে থানে ও কল্যাণ-ডোম্বিভলি পুরসভা এলাকায়। কল্যাণ-ডোম্বিভলি পুরনিগমে ২১টি ওয়ার্ডে মহাযুতি প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। যার মধ্যে বিজেপির ১৫ জন এবং শিবসেনার ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর পরেই রয়েছে পুনে, পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়, পানভেল, ভিওয়ান্ডি, ধুলে, জলগাঁও ও আহিল্যানগর। এই জয়কে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা মুরলীধর মোহোল দাবি করেন, পুনের পরবর্তী মেয়র বিজেপিরই হবেন। বলেন, ‘দলের লক্ষ্য ১২৫টি আসন জয়ের, যার মধ্যে দু’টি ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিশ্চিত হয়েছে।’ তাঁর মতে, এটি বিজেপির সুশাসন ও উন্নয়নমূলক কাজের প্রতি মানুষের আস্থার প্রমাণ। 

Advertisement


তবে বিরোধী শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) ও মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা এই জয়কে গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত বলে আখ্যা দিয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত অভিযোগ করেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেও প্রার্থীদের ফর্ম গ্রহণ করতে রিটার্নিং অফিসারদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। স্থানীয় মন্ত্রী ও বিধায়করা হুমকি দিয়েছেন। এমএনএস নেতা অবিনাশ যাদবের প্রশ্ন, ভোটের আগেই যদি জয় ভাগ করে নেওয়া হয়, তবে নির্বাচনের অর্থ কী? একইসঙ্গে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা অরবিন্দ সাওয়ান্ত ও অম্বাদাস দানভেও অভিযোগ করেন, টাকা ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ