Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দিতে এবার আসরে নামল মগরা ১ পঞ্চায়েত

জনস্বাস্থ্য দপ্তরের জলপ্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ নিজেদের তহবিল থেকেই করছে মগরা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত। ইতিমধ্যেই ওই কাজ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে।

বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দিতে এবার আসরে নামল মগরা ১ পঞ্চায়েত
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: জনস্বাস্থ্য দপ্তরের জলপ্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ নিজেদের তহবিল থেকেই করছে মগরা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত। ইতিমধ্যেই ওই কাজ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। পঞ্চায়েত কর্তাদের দাবি, আপাতত প্রায় চারটি গ্রাম সংসদ এলাকায় লাইনপা‌ইপ বসানো এবং ৫০০ পরিবারের বাড়িতে জলের সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নানা কারণে জলপ্রকল্পের কাজ বন্ধ ছিল। তাতে সমস্যায় পড়েছিলেন মগরা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি বড় এলাকার বাসিন্দা। এনিয়ে মানুষের ক্ষোভ সামাল দিতেই নিজেরাই জলপ্রকল্প শুরু করে দেন পঞ্চায়েত কর্তারা। ফলে বাসিন্দাদের মুখে হাসি ফুটেছে। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই প্রকল্পের জন্য ১৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

Advertisement

এনিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রঘুনাথ ভৌমিক বলেন, জনস্বাস্থ্য দপ্তরের পাইপলা‌঩ইনের জল সরবরাহ নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। আমরা বিষয়টি নিয়ে দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করি। তাঁরাই প্রকল্প তৈরি করে দিয়েছেন এবং কারিগরি পরিকল্পনাও দিয়েছেন। আমরা পঞ্চায়েতের অর্থ দিয়ে কাজে নেমে পড়েছি। অনেকখানি কাজ হয়েও গিয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করে ফেলা হবে। ইতিমধ্যেই আমরা ২০০ নতুন বাড়িতে জলের সংযোগ দিয়ে দিয়েছি। বাসিন্দা মহলে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ দেবীপ্রসাদ রক্ষিত বলেন, ওই পঞ্চায়েতের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাদের কাজ মডেল হতে পারে। 
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কোলা এবং আমোদপুর, এই দু’টি প্রকল্পের মাধ্যমে মগরা-১ ব্লকের সমস্ত গ্রামগুলিকে জল সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্ত কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। অসমাপ্ত কাজের জেরে লাইনপাইপ যাওয়া এবং জলের সংযোগ পাওয়ার পরেও জল পেতে সমস্যায় পড়ছিলেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে জয়পুর, নতুনগ্রাম, পুরুষোত্তমপুর, সুকান্তপল্লি সহ একাধিক এলাকায় নানা রকমের সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। কোথায় জলের গতি ছিল না, তো কোথাও পাইপ বসে যাওয়ার পরেও জলের সংযোগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন বাসিন্দারা।
এই পরিস্থিতিতে নিজেরাই কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্চায়েত। জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কারিগরি পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের ব্যয়ে কাজ শুরু দেন পঞ্চায়েত কর্তারা। তাতেই নতুন পাইপলাইন বসতে শুরু করেছে একাধিক গ্রামে। আবার যেখানে পাইপলাইন ছিল, সেখানে নতুন জলের সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ