তাপস কাঁড়ার: ১১ মাঘ ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৮৩০ সালের এই দিনেই রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠা করেন ব্রাহ্মসমাজ। প্রতিষ্ঠার সেই স্মরণোৎসবে প্রতি বছর এসময় পালন করা হয় মাঘোৎসব। যা ১৯৬ বছরে পদার্পণ করল। বিধান সরণির উপর সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের শতাব্দী প্রাচীন ব্রাহ্ম মন্দিরে এগারো দিন ব্যাপী নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৯শে জানুয়ারি সন্ধ্যায় ব্রহ্ম সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ‘সুরপ্রদীপ’-এর শিল্পীরা। সুরূপা দত্তের প্রার্থনা দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ওই সংস্থার একাধিক শিল্পীর কন্ঠে শোনা যায় ‘দাঁড়াও আমার আঁখির আগে’, ‘আকাশ ভরা সূর্য তারা’, ‘দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার’, ‘আমার মিলন লাগি তুমি’, ‘ওই আসন তলে’, ‘হৃদয়ে তোমার দয়া যেন পাই’, ‘আমি যে তোমারি কৃপার ভিখারি’, ‘দাঁড়াও মন অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড মাঝে’, ‘হরষে জাগো আজি’ প্রভৃতি গানগুলি। প্রদীপ দত্তের কন্ঠে শোনা যায় ইমন রাগে শেষ গান ‘এ মোহ আবরণ খুলে দাও হে’। সেদিনের সান্ধ্য অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে ‘সুরপ্রদীপ’-এর শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে ‘জগৎ জুড়ে উদার সুরে আনন্দ গান বাজে’ গানের মধ্যে দিয়ে। সঙ্গতে ছিলেন অঞ্জন বন্দোপাধ্যায় ও নন্দন দাশগুপ্ত। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রদীপ দত্ত। তাঁর পরিচালনায় অনন্যসুন্দর হয়ে ওঠে সমগ্র অনুষ্ঠান। প্রত্যেকের নিবেদন ছিল যথাযথ।



