Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেধা তালিকায় প্রথম দশে ঝাড়গ্রামের কেউ নেই, হতাশ শিক্ষকমহল

মেধা তালিকায় প্রথম দশে ঝাড়গ্রামের কেউ নেই, হতাশ শিক্ষকমহল
  • ৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰাম জেলার ১৬২টি বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল। কিন্তু মেধা তালিকার প্রথম দশে এই জেলার কেউ স্থান পায়নি। শিলদা রাধাচরণ ইনস্টিটিউশনের প্রসাদ হালদার ৬৮৫ পেয়ে ১১তম স্থান অধিকার করেছে। মাত্র একনম্বরের জন্য প্রথম দশে জায়গা পায়নি সে‌। মাধ্যমিকে জেলার ছাত্রছাত্রীরা মেধা তালিকায় জায়গা না পাওয়ায় হতাশ শিক্ষকমহল।

Advertisement

জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) শক্তিভূষণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, জেলার বেশ কয়েকটি স্কুলের ছাত্রছাত্রী অল্প নম্বরের জন্য মেধা তালিকায় স্থান পায়নি। জেলার ছাত্রছাত্রীদের পাশের হার ৮০শতাংশের বেশি।
ঝাড়গ্রাম শহরের বিভিন্ন নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। জেলার শিক্ষকরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। শিলদা সারদাচরণ ইনস্টিটিউশনের প্রসাদ হালদার ৬৫৮ পেয়ে জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে। ঝাড়গ্রামের শ্রী সারদা বিদ্যাপীঠ গার্লস হাইস্কুলের শাল্মলী দে ৬৮৩ পেয়ে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী। ঝাড়গ্রামের রানী বিনোদমঞ্জরী গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলের তৃষ্ণা পালের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১। জেলার নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ সেনগুপ্ত বলেন, মেধা তালিকায় জেলার ছাত্রছাত্রীদের স্থান না পাওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে হতাশাজনক। স্কুলের তরফে পঠনপাঠনের মানোন্নয়নে সবরকম চেষ্টা চলছে। মাধ্যমিক পরীক্ষায় স্কুলের ১৯৯জন পড়ুয়া বসেছিল। তারা সবাই পাশ করেছে। ৩৭জন পড়ুয়া ৬০০’র বেশি নম্বর পেয়েছে। আগে মেধার ভিত্তিতে এই স্কুলে পড়ুয়াদের ভর্তি নেওয়া হতো। এখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি করতে হচ্ছে। সর্বোচ্চ সাফল্যের ক্ষেত্রে হয়তো একারণে কিছু ক্রটি থেকে যাচ্ছে। আশা করছি, উচ্চমাধ্যমিকে স্কুলের ফলাফল  ভালো হবে।
বেলপাহাড়ী এসসি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দ্বিবেদী বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। জেলার বিভিন্ন স্কুলে অনেকদিন ধরে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। এর জেরে পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে। জেলার সার্বিক শিক্ষা পরিকাঠামোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। লালগড় রামকৃষ্ণ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজকুমার মাইতি বলেন, স্কুলের ১৪৫জন পড়ুয়া এবার মাধ্যমিক দিয়েছিল। ১৩৮জন পাস করেছে। বেশ কয়েকজন ছাত্র ৬০০’র বেশি নম্বর পেয়েছে। মেধা তালিকায় স্থান না পেলেও জেলার বিভিন্ন স্কুলের সার্বিক ফলাফল ভালো বলেই মনে করছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ