ভোপাল: রাস্তার ধারে অস্থায়ী দোকান। সেখানে ডিম বেচে সংসার চলে। ব্যবসা আজ একটু ভালো, তো কাল খারাপ! অনিশ্চয়তায় ভরা জীবন। এরমধ্যেই মিলিয়ে মিশিয়ে দিন কাটছিল মধ্যপ্রদেশের দামোহের ডিম বিক্রেতা প্রিন্স সুমনের। এরমধ্যে হঠাৎই হাতে এসে পৌঁছয় আয়কর দপ্তরের একটি নোটিস। তা পড়তে গিয়ে ভিরমি খাওয়ার জোগাড় সুমনের। কারণ আয়কর দপ্তর জানিয়েছে, জিএসটি বাবদ তাঁকে ছ’ কোটি টাকা মেটাতে হবে। ডিম বিক্রির জন্য এত টাকা ট্যাক্স হয় কী করে? খবর নিয়ে জানতে পারেন, তাঁর নাম, নথি ব্যবহার করে দিল্লিতে একটি সংস্থা খোলা হয়েছিল। সেখানে গত দু’বছরে ৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কিন্তু, বিধি মেনে কর মেটানো হয়নি। তাই ওই নোটিস এসে পৌঁছেছে তাঁর দুয়ারে। প্রতারণার জালে জড়িয়ে বেসামাল অবস্থা সুমন ও তাঁর পরিবারের। ইতিমধ্যেই আয়কর দপ্তরকেও ডিম বিক্রেতার প্রকৃত আর্থিক পরিস্থিতি জানানো হয়েছে। তারা সমস্ত নথি, ব্যাঙ্কের কাগজপত্র ও স্টেটমেন্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। সুমনের বাবা পুলিস সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পেশায় মুদি দোকানি ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, অবিলম্বে তাদের এই প্রতারণার জাল থেকে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় চরম পদক্ষেপ নেবেন।



