Bartaman Logo
৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

মধুমিতার দক্ষিণী ‘মায়া’

প্রথম দক্ষিণ ভারতীয় ছবি। আর প্রথম ছবিতেই একেবারে ভিন্ন ধারার চরিত্র পেয়েছেন। নায়িকা হিসেবে এই সুযোগ হাতছাড়া করার নয়। হাতছাড়া করেনওনি তিনি। অর্থাৎ মধুমিতা সরকার।

মধুমিতার দক্ষিণী ‘মায়া’
  • ৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

•প্রথম দক্ষিণ ভারতীয় ছবি। আর প্রথম ছবিতেই একেবারে ভিন্ন ধারার চরিত্র পেয়েছেন। নায়িকা হিসেবে এই সুযোগ হাতছাড়া করার নয়। হাতছাড়া করেনওনি তিনি। অর্থাৎ মধুমিতা সরকার। মুক্তির অপেক্ষায় তাঁর প্রথম তেলুগু ছবি ‘মায়া লেডি’। ২০২২-এ ভারতের নানা প্রান্তে শ্যুটিং হয়েছিল। সুযোগ এসেছিল কীভাবে? ‘তখন ‘চিনি’ সিনেমা হলে রিলিজ করেছে। আমি ‘কুলের আচার’-এর শ্যুটিং করছি। প্রযোজনা সংস্থা থেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ‘চিনি’ দেখে ওদের ভালো লেগেছিল। তারপর চিত্রনাট্য পড়লাম। আমার চরিত্রের নানা শেড। মেয়েটিকে যেমন মিষ্টি দেখতে লাগে, তেমন সবসময়  নয়’— বললেন মধুমিতা। দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেকেই কাজ করেছেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল মধুমিতার নাম। ছবির জন্য রীতিমতো তেলুগু ভাষার চর্চা করতে হয়েছিল তাঁকে। মধুমিতার কথায়, ‘আমাকে ভাষা শিখতে হয়েছে। ভাষা রপ্ত করতে হবে, সেটা ওঁরা প্রথমেই বলে দিয়েছিলেন। অ্যাকশন সিকোয়েন্সের জন্যও ট্রেনিং নিয়েছিলাম। পুরোপুরি তৈরি হয়ে তবে সেটে গিয়েছি।’ দুই ইন্ডাস্ট্রির কাজের ধরনের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? মধুমিতা বললেন, ‘ওখানে দর্শক সংখ্যা অনেক বেশি। অনেকদিন ধরে আমরা ছবির শ্যুটিং করেছি। একটা ঘটনা মনে পড়ছে। একটা অ্যাকশন সিকোয়েন্স ২৪ ঘণ্টা ধরে শ্যুটিং করার পর পরিচালকের মনে হয়েছিল, দৃশ্যটা আরও ভালো হতে পারে। সেট পরিবর্তন করে ওই দৃশ্যের শ্যুটিং আবার করা হয়েছিল। বাজেট থাকার কারণে সময় দেওয়া গিয়েছিল।’ টলিউডে কম সময়ে কম বাজেটে যে পারফরম্যান্স দেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা তা দক্ষতা না থাকলে সম্ভব হত না বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।

Advertisement

স্বরলিপি ভট্টাচার্য

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ