হায়দরাবাদ: প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে দিল্লির বোলারদের উপর রোলার চালিয়েছিলেন হায়দরাবাদের ব্যাটাররা। ঈশান কিষানের সেঞ্চুরিতে উঠেছিল ৬ উইকেটে ২৮৬। অনেকেই আশা করেছিলেন, বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধেও তারই পুনরাবৃত্তি দেখা যাবে। কিন্তু লখনউ সুপার জায়ান্টসের দুরন্ত দাপটে আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল দক্ষিণী ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। শার্দূল ঠাকুরের অনবদ্য বোলিং ও নিকোলাস পুরানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ৫ উইকেটে জিতল লখনউ। প্রথমে ব্যাট করে হায়দরাবাদ ৯ উইকেটে তুলেছিল ১৯০ রান। শার্দূল একাই নিলেন চার উইকেট। জবাবে ২৩ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ঋষভ পন্থ-ব্রিগেড (১৯৩-৫)। শার্দূলের গড়ে দেওয়া মঞ্চে জয়ের পথ প্রশস্ত করেন পুরান। মাত্র ২৬ বলে ৭০ রানের ইনিংস উপহার দেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া মিচেল মার্শও হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকান (৫২)।
ম্যাচের অবশ্য নায়ক শার্দূলই। অথচ নিলামে তিনি ছিলেন অবিক্রীত। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে মহসিন খানের চোট তাঁর সামনে সুযোগ এনে দেয় লখনউয়ের জার্সি গায়ে চাপানোর। আর তার সদ্ব্যবহারে ভুল করেননি তিনি। গত ম্যাচে বল হাতে আশা জাগিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার নতুন বলে হায়দরাবাদের টপ অর্ডারে জোড়া ধাক্কা দেন শার্দূল। প্রথমে ফেরান অভিষেক শর্মাকে (৬)। তারপর ঈশান কিষানের (০) উইকেট নিয়ে স্বস্তি দেন দলকে। পরে নামের পাশে যোগ করেন আরও দু’টি উইকেট। শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠা সম্ভব হয়নি হায়দরাবাদের পক্ষে। ট্রাভিস হেডের লড়াকু ৪৭ ও মিডল অর্ডারে নীতীশ রেড্ডি (৩২), হেনরিখ ক্লাসেন (২৬) ও অনিকেত ভার্মার (৩৬) ব্যাটে ভর করে হায়দরাবাদ তোলে ১৯০ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মহম্মদ সামির বলে কামিন্সের হাতে ধরা পড়েন আইডেন মার্করাম (১)। তবে ধাক্কা সামলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার মার্শের সঙ্গে পুরান পাওয়ার প্লে’তে ঝড় তোলেন। ক্যারিবিয়ান তারকা পুরানের ইনিংসে রয়েছে হাফ-ডজন করে চার ও ছক্কা। তিনি আউট হওয়ার পর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্শ। অজি তারকার ৩১ বলে ৫২ রানের ইনিংসে রয়েছে সাতটি বাউন্ডারি ও দু’টি ছক্কা। শেষদিকে ৮ বলে ২২ করেন আব্দুল সামাদ।