ওয়াশিংটন: মার্কিন বিদেশ নীতিতে বড়সড় বদলের সম্ভাবনা। কিউবাকে ‘সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা রাষ্ট্রে’র তালিকা থেকে বাদ দিতে চলেছে আমেরিকা। শেষবেলায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মঙ্গলবার (মার্কিন সময়) এক বিবৃতি জারি করে একথা জানাল হোয়াইট হাউস। চুক্তির অংশ হিসেবে হাভানার জেলে থাকা রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রয়াত ফিদেল কাস্ত্রোর দেশ। জানা গিয়েছে, এই বন্দিদের মধ্যে অনেককেই ‘আমেরিকাপন্থী’ ও ‘সরকার বিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত। আগামী ২০ জানুয়ারি নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফের মসনদে বসবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগে বাইডেনের বিদায়বেলায় এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে গোটা বিশ্ব।
Advertisement
ওয়াকিবহাল মহলের অবশ্য আশঙ্কা, ক্ষমতায় আসার পরেই বাইডেনের এই সিদ্ধান্ত বদলে দেবেন ট্রাম্প। কিউবার বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতেও যেন তারই ইঙ্গিত। তারা জানিয়েছে, ‘আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত আপাতত একটি নিষ্ঠুর নীতির কয়েকটি দিক সংশোধন করেছে। কিন্তু নতুন সরকার এই সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে। হাজার বিরোধ সত্ত্বেও ওই দেশের সঙ্গে আমরা সম্মানজনক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। ’
কিউবাকে ‘সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা রাষ্ট্রে’র তালিকায় সর্বপ্রথম যুক্ত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টে রোনাল্ড রেগান। বারাক ওবামার আমলে দ্বীপরাষ্ট্রটিকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তবে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই সেই সিদ্ধান্ত বদল করেন ট্রাম্প। এবারও কি তিনি সেই পথে হাঁটবেন? উত্তরের অপেক্ষায় কিউবাবাসী।
কিউবাকে ‘সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা রাষ্ট্রে’র তালিকায় সর্বপ্রথম যুক্ত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টে রোনাল্ড রেগান। বারাক ওবামার আমলে দ্বীপরাষ্ট্রটিকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তবে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই সেই সিদ্ধান্ত বদল করেন ট্রাম্প। এবারও কি তিনি সেই পথে হাঁটবেন? উত্তরের অপেক্ষায় কিউবাবাসী।



