নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘স্যর, ও কেন রাত ৩টে পর্যন্ত ঘরের লাইট জ্বালিয়ে পড়বে? আমি তো ঘুমোতেই পারছি না। যদি ঘুমোতেই না পারি, পড়াশোনা করব কীভাবে?’
Advertisement
‘মানে?’
‘মানে, আমি তো রাত ৩টে থেকে উঠে পড়াশোনা শুরু করি।’
এই হল অভিযোগ। তাও র্যাগিংয়ের! যা নিয়ে আপাতত সরগরম কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। সোমবার ধরলে এখনও পর্যন্ত মোট চারবার শুনানি হয়েছে। কিন্তু অভিযোগের বিষয়বস্তু জানার পর কী করবেন, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না মেডিক্যাল কলেজের কর্তারা।
দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র তাঁরই সহপাঠী এক রুমমেটের বিরুদ্ধে ইউজিসিতে অভিযোগ করে জানিয়েছেন, এভাবে এত রাত পর্যন্ত আলো জ্বালিয়ে পড়াশোনা করে তাঁকে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অভিযোগকারীর কথোপকথনের সামান্য অংশই উদ্ধৃত করা হয়েছে লেখার শুরুতে। আরও যা যা মানসিক নির্যাতনের বর্ণনা সেই ছাত্র তুলে ধরেছে, তা শুনে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ার জোগাড় শতাব্দীপ্রাচীন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ-উপধ্যক্ষ এবং কমিটির সদস্যদের।
শুধু রাত ৩টে পর্যন্ত পড়াশোনাই নয়, রুমমেটের বারবার ফোন আসা, ফোনের আলোর জন্য ঘুম নষ্ট হওয়াকেও মানসিক নির্যাতন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। তাঁর অন্যান্য অভিযোগগুলিও অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর। যেমন, তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্র এবং এক ইন্টার্নের বিরুদ্ধেও র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছেনে। কমিটির সামনে তিনি জানিয়েছেন, হস্টেলে যে ঘরে তিনি থাকতে চেয়েছিলেন, সেখানে তাঁকে থাকতে দেননি তৃতীয় বর্ষের ওই দাদা। আর ইন্টার্নের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘যখন আলো জ্বালানো নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল, ওই দাদাটা আমাদের দিকে তাকিয়ে ফিক ফিক করে হাসছিল! সিনিয়রসুলভ ভূমিকা পালন না করে ও হাসল কেন?’
এতকিছু শোনার পর আক্কেল গুড়ুম হওয়ার মতো অবস্থা হয় মেডিক্যাল কর্তাদের। এখানেই আবার ‘কাহিনি’তে টুইস্ট! সোমবার অভিযোগকারী কমিটিতে জানান, তিনি সহপাঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিতে চান। কেন? জানতে চাইলে বলেন, ‘আমরা আবার বন্ধু হয়ে গিয়েছি স্যর। ও খুব ভালো ছেলে।’ অভিযুক্ত তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের সঙ্গে তখনও মিটমাট না হলেও ইন্টার্নকে ক্লিনচিট দিয়ে দিয়েছেন অভিযোগকারী। কিন্তু এক্ষেত্রেই বা কেন হঠাৎ ক্লিনিচিট? অভিযোগকারীর সলজ্জ উত্তর ছিল, ‘স্যর, ওই দাদা আমার হাত ধরে কেঁদে ফেলেছে। জানেন তো, আমার মনটা নরম। ক্ষমা করে দিয়েছি ওকে।’
‘মানে, আমি তো রাত ৩টে থেকে উঠে পড়াশোনা শুরু করি।’
এই হল অভিযোগ। তাও র্যাগিংয়ের! যা নিয়ে আপাতত সরগরম কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। সোমবার ধরলে এখনও পর্যন্ত মোট চারবার শুনানি হয়েছে। কিন্তু অভিযোগের বিষয়বস্তু জানার পর কী করবেন, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না মেডিক্যাল কলেজের কর্তারা।
দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র তাঁরই সহপাঠী এক রুমমেটের বিরুদ্ধে ইউজিসিতে অভিযোগ করে জানিয়েছেন, এভাবে এত রাত পর্যন্ত আলো জ্বালিয়ে পড়াশোনা করে তাঁকে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অভিযোগকারীর কথোপকথনের সামান্য অংশই উদ্ধৃত করা হয়েছে লেখার শুরুতে। আরও যা যা মানসিক নির্যাতনের বর্ণনা সেই ছাত্র তুলে ধরেছে, তা শুনে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ার জোগাড় শতাব্দীপ্রাচীন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ-উপধ্যক্ষ এবং কমিটির সদস্যদের।
শুধু রাত ৩টে পর্যন্ত পড়াশোনাই নয়, রুমমেটের বারবার ফোন আসা, ফোনের আলোর জন্য ঘুম নষ্ট হওয়াকেও মানসিক নির্যাতন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। তাঁর অন্যান্য অভিযোগগুলিও অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর। যেমন, তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্র এবং এক ইন্টার্নের বিরুদ্ধেও র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছেনে। কমিটির সামনে তিনি জানিয়েছেন, হস্টেলে যে ঘরে তিনি থাকতে চেয়েছিলেন, সেখানে তাঁকে থাকতে দেননি তৃতীয় বর্ষের ওই দাদা। আর ইন্টার্নের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘যখন আলো জ্বালানো নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল, ওই দাদাটা আমাদের দিকে তাকিয়ে ফিক ফিক করে হাসছিল! সিনিয়রসুলভ ভূমিকা পালন না করে ও হাসল কেন?’
এতকিছু শোনার পর আক্কেল গুড়ুম হওয়ার মতো অবস্থা হয় মেডিক্যাল কর্তাদের। এখানেই আবার ‘কাহিনি’তে টুইস্ট! সোমবার অভিযোগকারী কমিটিতে জানান, তিনি সহপাঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিতে চান। কেন? জানতে চাইলে বলেন, ‘আমরা আবার বন্ধু হয়ে গিয়েছি স্যর। ও খুব ভালো ছেলে।’ অভিযুক্ত তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের সঙ্গে তখনও মিটমাট না হলেও ইন্টার্নকে ক্লিনচিট দিয়ে দিয়েছেন অভিযোগকারী। কিন্তু এক্ষেত্রেই বা কেন হঠাৎ ক্লিনিচিট? অভিযোগকারীর সলজ্জ উত্তর ছিল, ‘স্যর, ওই দাদা আমার হাত ধরে কেঁদে ফেলেছে। জানেন তো, আমার মনটা নরম। ক্ষমা করে দিয়েছি ওকে।’



