নয়াদিল্লি: ধর্মীয়স্থানগুলির সুরক্ষায় ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল আইন পাস হয়। তাতে বলা হয়, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের আগে ধর্মীয় স্থানগুলির চরিত্র যেমন ছিল তেমনই রাখতে হবে। কোনওভাবেই তা পরিবর্তন করা যাবে না। এই আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। একসঙ্গে একই বিষয়ে এতগুলি মামলা দেখে বিরক্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। সোমবার তিনি বলেন, ‘কোনও বিষয়ে আবেদন করার একটি সীমা রয়েছে। অনেক হয়েছে। এবার এসব থামানো দরকার।’ স্পষ্ট করে তিনি জানিয়েছেন, নতুন করে এই সংক্রান্ত আর কোনও মামলা গ্রহণ করবে না শীর্ষ আদালত। চালু মামলাগুলির শুনানি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে তিন বিচারপতির বেঞ্চে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
Advertisement
১৯৯১ সালের ধর্মীয় উপাসনাস্থল আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন অশ্বিনী উপাধ্যায়। তাঁর যুক্তি ছিল, অতীতে বহু ধর্মীয় স্থানের চরিত্র বদল হয়েছে। এই আইন ধর্মীয় স্থানগুলির পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস এবং আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল মিম এই আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশিকা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। সোমবার এই আইন চালু রাখার দাবিতে আরও একটি মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি বলেন, এই আবেদনগুলিতে বেশ কিছু নতুন প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাই মামলাগুলি গ্রহণ করা হল। তবে এই শেষবার। আর এই সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করা হবে না।



