নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন। বড়তলায় শিশুকন্যাকে ধর্ষণ। হরিদেবপুরে গৃহবধূকে গলা কেটে খুন। বিডন স্ট্রিটে একাকী বৃদ্ধাকে ছুরি দেখিয়ে লুট। ট্যাংরায় একই পরিবারের দুই বধূ ও এক নাবালিকাকে খুন।
Advertisement
ছ’মাসের ব্যবধানে শহরে একের পর এক হাই-ভোল্টেজ ক্রাইম। সবকিছুতেই ‘শিকার’ মহিলারা। নিরাপত্তায় কি তাহলে কোনও খামতি থেকে যাচ্ছে? পুলিসি নজরদারিতে কোথাও কি গলদ রয়েছে? মহিলাকেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ে চিন্তিত খোদ কলকাতার পুলিস কমিশনার মনোজকুমার ভার্মা। লালবাজারে উচ্চ আধিকারিকদের বৈঠকে রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সিপি। বাহিনীর অন্যান্য পদস্থ কর্তাদের কাছে তাঁর প্রশ্ন, ‘কেন শহরে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সিরিজ? দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।’ সূত্রের দাবি, কলকাতার সব থানা সহ স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও অন্যান্য গ্রাউন্ড লেভেল বাহিনীকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সিপি। এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর জন্য থানা পর্যায়ে আরও বেশি করে দায়িত্ব নেওয়ার নিদান দিয়েছেন পুলিস কমিশনার।
ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা দেশের নিরাপদতম শহর। মহিলাকেন্দ্রিক অপরাধের ক্ষেত্রেও অন্যান্য মেট্রো শহরের তুলনায় এই মহানগরের হার অনেকটাই কম। কিন্তু, এই তকমায় প্রভাব খাটিয়েছে আর জি করের ঘটনা। সেই ঘটনার তদন্ত যখন জোরকদমে, তখনই রাতের অন্ধকারে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে ফুটপাতবাসী বাবা-মা’র পাশ থেকে সাত মাসের ঘুমন্ত শিশুকে তুলে নিয়ে যায় এক যুবক। প্রকাশ্য রাস্তায় ধর্ষণ করা হয় শিশুটিকে। সেই কেসে ধর্ষককে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। গত ২৩ জানুয়ারি হরিদেবপুর থানা এলাকার ডায়মন্ড পার্কে ভাড়া বাড়িতে এক গৃহবধূকে গলা কেটে খুন করা হয়। লালবাজারের দাবি, সেই ঘটনায় অভিযুক্ত মৃতের স্বামী। কিন্তু, মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে পাকড়াও করতে পারেনি পুলিস। চলতি মাসেই বড়তলা থানা এলাকায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে একটি আবাসনে ঢুকে বৃদ্ধার গয়না, নগদ সহ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামগ্রী লুট করে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সেই কেসেও গ্রেপ্তারি ‘শূন্য’।
লালবাজারের বিশেষ বৈঠকে এসমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সিপি। ঘটনা ঘটেছে কিন্তু, এখনও অভিযুক্তের নাগাল পাওয়া যায়নি এমন কেসগুলি নিয়ে আলাদাভাবে ‘রিভিউ’ করার নির্দেশ দিয়েছেন সিপি। সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারদের ‘অধরা’ কেসের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। বৈঠকে সিপির নির্দেশ, অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারি নিশ্চিত করতে হবে। খাস কলকাতায় মহিলাদের নিরাপত্তায় আরও কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। কলকাতা পুলিসের ‘প্রণাম’ প্রকল্পে শহরের সমস্ত একাকী প্রবীণদের নিয়ে আসতে হবে। শিশু ও মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেশি করে ধরপাকড় ও চার্জশিটে জোর দেওয়ার নিদান দিয়েছেন মনোজ ভার্মা।
ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা দেশের নিরাপদতম শহর। মহিলাকেন্দ্রিক অপরাধের ক্ষেত্রেও অন্যান্য মেট্রো শহরের তুলনায় এই মহানগরের হার অনেকটাই কম। কিন্তু, এই তকমায় প্রভাব খাটিয়েছে আর জি করের ঘটনা। সেই ঘটনার তদন্ত যখন জোরকদমে, তখনই রাতের অন্ধকারে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে ফুটপাতবাসী বাবা-মা’র পাশ থেকে সাত মাসের ঘুমন্ত শিশুকে তুলে নিয়ে যায় এক যুবক। প্রকাশ্য রাস্তায় ধর্ষণ করা হয় শিশুটিকে। সেই কেসে ধর্ষককে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। গত ২৩ জানুয়ারি হরিদেবপুর থানা এলাকার ডায়মন্ড পার্কে ভাড়া বাড়িতে এক গৃহবধূকে গলা কেটে খুন করা হয়। লালবাজারের দাবি, সেই ঘটনায় অভিযুক্ত মৃতের স্বামী। কিন্তু, মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে পাকড়াও করতে পারেনি পুলিস। চলতি মাসেই বড়তলা থানা এলাকায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে একটি আবাসনে ঢুকে বৃদ্ধার গয়না, নগদ সহ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামগ্রী লুট করে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সেই কেসেও গ্রেপ্তারি ‘শূন্য’।
লালবাজারের বিশেষ বৈঠকে এসমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সিপি। ঘটনা ঘটেছে কিন্তু, এখনও অভিযুক্তের নাগাল পাওয়া যায়নি এমন কেসগুলি নিয়ে আলাদাভাবে ‘রিভিউ’ করার নির্দেশ দিয়েছেন সিপি। সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারদের ‘অধরা’ কেসের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। বৈঠকে সিপির নির্দেশ, অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারি নিশ্চিত করতে হবে। খাস কলকাতায় মহিলাদের নিরাপত্তায় আরও কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। কলকাতা পুলিসের ‘প্রণাম’ প্রকল্পে শহরের সমস্ত একাকী প্রবীণদের নিয়ে আসতে হবে। শিশু ও মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেশি করে ধরপাকড় ও চার্জশিটে জোর দেওয়ার নিদান দিয়েছেন মনোজ ভার্মা।



