সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটার নয়ারহাটে বিধানসভাভিত্তিক কর্মিসভায় নাম না করে কোচবিহারের অন্যতম প্রবীণ নেতাকে কটাক্ষ করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর মন্তব্য, বিধানসভা ভোট আসার আগে তালগাছ-নারকেল গাছের মতো দুলছে ওই লম্বা নেতা। নাম না করে তিনি যে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই কর্মীদের। তবে ভরা কর্মিসভায় দলের নেতার সম্পর্কে মন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবেই জেলার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
তবে উদয়নের কটাক্ষের কোনও জবাব দেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বরং তাঁর গলায় এখনও ঐক্যের সুর। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সৈনিক সহ সকলকে নিয়ে কোচবিহার জেলায় ন’টি বিধানসভা আসনই উপহার দিতে চান বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
কর্মীদের সামনেই উত্তরবঙ্গ মন্ত্রী বলে বসেন, কোচবিহারের ওই লম্বা নেতা হওয়ায় তালগাছ-নারকেল গাছের মত দুলছেন। কোচবিহার জেলা নেতাদের কীভাবে ছোট করা যায়, সেই চেষ্টা করছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে কে টিকিট পাবে, সেই হিসেবেনিকেশ করছেন। অনেকেই নিজেদের দলের পথচলা শুরুর সময় থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবে দাবি করেন। আর ভোট আসলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, প্রতিটা বুথে চারজন করে পরিবারকে তৃণমূল মুখী করতে হবে। বিধানসভায় প্রতিটি বুথে অন্তত ২০টি ভোট বাড়বে তাতে। কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়া বলেন, দলের নাম করে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছে কেউ চাঁদা চাইলে দেবেন না। সরকারি টাকায় নিজেদের ঘর নিজেরাই তৈরি করুন। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরে ঘর তৈরি শুরু না করলে সরকারকে সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।
জবাবে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো দিনের সৈনিক। দল যাঁকেই প্রার্থী করবে, তাঁকে জয়ী করতে সবাই মিলে লড়াই করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকা তৈরি করবেন। কোচবিহারের নয়টি বিধানসভায় জয়ী হব আমরা। কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন সিতাই বিধানসভার বিধায়ক সঙ্গীতা রায় সহ নেতা কর্মীরা। - নিজস্ব চিত্র।
কর্মীদের সামনেই উত্তরবঙ্গ মন্ত্রী বলে বসেন, কোচবিহারের ওই লম্বা নেতা হওয়ায় তালগাছ-নারকেল গাছের মত দুলছেন। কোচবিহার জেলা নেতাদের কীভাবে ছোট করা যায়, সেই চেষ্টা করছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে কে টিকিট পাবে, সেই হিসেবেনিকেশ করছেন। অনেকেই নিজেদের দলের পথচলা শুরুর সময় থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবে দাবি করেন। আর ভোট আসলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, প্রতিটা বুথে চারজন করে পরিবারকে তৃণমূল মুখী করতে হবে। বিধানসভায় প্রতিটি বুথে অন্তত ২০টি ভোট বাড়বে তাতে। কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়া বলেন, দলের নাম করে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছে কেউ চাঁদা চাইলে দেবেন না। সরকারি টাকায় নিজেদের ঘর নিজেরাই তৈরি করুন। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরে ঘর তৈরি শুরু না করলে সরকারকে সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।
জবাবে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো দিনের সৈনিক। দল যাঁকেই প্রার্থী করবে, তাঁকে জয়ী করতে সবাই মিলে লড়াই করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকা তৈরি করবেন। কোচবিহারের নয়টি বিধানসভায় জয়ী হব আমরা। কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন সিতাই বিধানসভার বিধায়ক সঙ্গীতা রায় সহ নেতা কর্মীরা। - নিজস্ব চিত্র।



