Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

‘কারও সঙ্গে কথা নয়’, মৃতের আত্মীয়দের চোখ রাঙাচ্ছে হাসপাতালের সুরক্ষাকর্মীরা

‘কারও সঙ্গে কথা নয়’, মৃতের আত্মীয়দের চোখ রাঙাচ্ছে হাসপাতালের সুরক্ষাকর্মীরা
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ঘাড়ে, মাথায়, বুকে, পেটে মাড়িয়ে গিয়েছে দিশাহীন জনতা। আর তারই জেরে ট্রমাটিক অ্যাসফেক্সিয়ার। অধিকাংশের মৃত্যুর এটাই কারণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। কেন্দ্রের অধীনে থাকা রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল (আরএমএল) ও দিল্লি সরকারের অধীন লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ (এলএনজেপি) হাসপাতালেও আনা হয়েছিল মৃতদেহ। মিডিয়ার জিজ্ঞাসা আর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এড়াতে রবিবার সকাল সকালই ময়নাতদন্ত সেরে মৃতের পরিবারকে দেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। জখমদের চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 
Advertisement
মিডিয়ার গতিবিধি রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে আধা সেনা, দিল্লি পুলিস। কেন সত্য গোপন? প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। শনিবার নিউ দিল্লি রেলস্টেশনের হুড়োহুড়িতে ১৮ জন কুম্ভ যাত্রীর মৃত্যু এবং একাধিক জখমের দায় নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের ইস্তফা দাবি করেছেন এআইসিসি মুখপাত্র সুপ্রিয় শ্রীনেত। 
সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঁচজনের দেহ পাঠানো হয়েছিল আরএমএল হাসপাতালে। বাকি এলএনজেপি। মৃতের মধ্যে ৯ জন বিহারবাসী। ৮ জন দিল্লি এবং একজন হরিয়ানার বাসিন্দা ছিলেন। রবিবার সকালে দুই হাসপাতালে গিয়েই দেখা গেল, মিডিয়ার প্রবেশ মানা। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের আটকাতে বাইরে মজুত সশস্ত্র সীমা বল, সিআরপিএফ এবং দিল্লি পুলিস। তারই মধ্যে প্রহরার বেড়া কোনওরকমে পার হতেই হল। ভিতরে গিয়ে দেখা গেল, মর্গের সামনে মৃতের আত্মীয়দের চোখে জল। তবে সেখানেও কড়া চোখে নিরাপত্তারক্ষীদের নজর। মৃতের পরিবারকে বলে দেওয়া হয়েছে, কারও সঙ্গে কথা নয়। ময়নাতদন্ত শেষে দেহ নিয়ে চলে যান। তারই মধ্যে দিল্লির সাত বছরের রিয়া সিংয়ের নিথর দেহের অপেক্ষায় থাকা বাবা ওপলি সিং, আট বছরের বালিকা বিহারের নওয়াদার পূজার পরিবারের সদস্যরা গুমরোচ্ছেন। আর হা হুতাশ করছেন, কেন এলাম? ভিড়ের ধাক্কায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই শেষ হয়ে গেল প্রাণগুলো। স্রেফ শোনা গিয়েছিল বাঁচার আর্তনাদ... মুঝে বাঁচাও! 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ