অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: চোখ মেললেই ‘কংক্রিটের জঙ্গল’। নগর সভ্যতার চেনা ছবি। মানুষের জন্য হয়েছে কোটি টাকার বহুতল। আর এর ফলে নিউটাউনে বাসস্থান সঙ্কটে পড়েছে শিয়াল। বাংলার এই বন্যপ্রাণ ক্রমশ বাসস্থান হারাচ্ছে। থাকার জায়গা কমে যাওয়ায় লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এক বছরে প্রায় ১০টিরও বেশি শিয়াল উদ্ধার হয়েছে নিউটাউন থেকে। পাশাপাশি সম্প্রতি রাস্তা পার হতে গিয়ে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুও হয়েছে একটি শিয়ালের। নিউটাউনের রাস্তাগুলি চওড়া। রাতে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কম নয়। সবমিলিয়ে সঙ্কটে ‘হুক্কা হুয়া’র ভবিষ্যৎ।
Advertisement
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটাউনে একসময় বহু শিয়াল ছিল। তাদের থাকার উপযোগী বাসস্থানের কোনও অভাব ছিল না। মাংসাশী এই প্রাণীটির খাদ্য সঙ্কটও ছিল না। শিয়াল সব ধরণের মাংসই খায়। তবে প্রিয় খাদ্য কাঁকড়া। জলা জায়গায় গর্তে নিজেদের লেজ ঢুকিয়ে কাঁকড়া ধরে তারা। রাতে এবং ভোরবেলা আগে প্রচুর শিয়াল দেখা যেত নিউটাউনে। এখনও অ্যাকশন এরিয়া-দুই এবং তিন এলাকার অনেক জায়গায় প্রায়শই শিয়াল দেখা যায়। তবে গোটা নিউটাউন ধরলে তাদের বাসস্থান অনেক কমে গিয়েছে। এবং প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে। সে কারণে দিনের বেলাতেও শিয়াল বেরিয়ে আসছে বাইরে। ডাক পড়ছে বনদপ্তরের।
শিয়াল বাঁচাতে কী করণীয়? বিশেষজ্ঞদের কথায়, মানুষের জনসংখ্যা বাড়ছে। এবং শহরমুখী হওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। ফলে বহুতল গড়ে উঠছে। আগে যে অঞ্চল বন্যপ্রাণদের ছিল, আজ তা মানুষের দখলে। যে কারণে, নিউটাউনে সাপের উৎপাত এখনও যায়নি। বাড়িতে ঢুকে পড়ছে গোখরো, গাড়ির স্ট্রিয়ারিংয়ে সাপ, স্মার্ট সিটিতে চন্দ্রবোড়ার কামড়ে মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরমুখী হওয়ার কারণেই বহুতলের সংখ্যা বাড়ছে। শহরের ঘনজনবতিপূর্ণ এলাকায় জায়গা কম থাকায় শহরের বাইরে, ফাঁকা এলাকায় গড়ে উঠছে অসংখ্য বহুতল। স্বাভাবিকভাবেই বন্যপ্রাণের বাসস্থান আজ সঙ্কটে। বনদপ্তরের (বন্যপ্রাণ) সল্টলেকের রেঞ্জ অফিসার মনোজ কুমার যশ বলেন, বাসস্থান সঙ্কট রয়েছে। তবে মানুষ চেষ্টা করলে পথ দুর্ঘটনা থেকে শিয়ালকে রক্ষা করতে পারে। সন্ধ্যার মুখে, রাতে ও ভোরবেলা শিয়াল বেশি বের হয়। ওই সময় রাস্তায় সাবধানে গাড়ি চালালে হয়ত দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। লোকালয়ে চলে এলে কেউ নির্যাতন করবেন না। আমাদের খবর দেবেন।
শিয়াল বাঁচাতে কী করণীয়? বিশেষজ্ঞদের কথায়, মানুষের জনসংখ্যা বাড়ছে। এবং শহরমুখী হওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। ফলে বহুতল গড়ে উঠছে। আগে যে অঞ্চল বন্যপ্রাণদের ছিল, আজ তা মানুষের দখলে। যে কারণে, নিউটাউনে সাপের উৎপাত এখনও যায়নি। বাড়িতে ঢুকে পড়ছে গোখরো, গাড়ির স্ট্রিয়ারিংয়ে সাপ, স্মার্ট সিটিতে চন্দ্রবোড়ার কামড়ে মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরমুখী হওয়ার কারণেই বহুতলের সংখ্যা বাড়ছে। শহরের ঘনজনবতিপূর্ণ এলাকায় জায়গা কম থাকায় শহরের বাইরে, ফাঁকা এলাকায় গড়ে উঠছে অসংখ্য বহুতল। স্বাভাবিকভাবেই বন্যপ্রাণের বাসস্থান আজ সঙ্কটে। বনদপ্তরের (বন্যপ্রাণ) সল্টলেকের রেঞ্জ অফিসার মনোজ কুমার যশ বলেন, বাসস্থান সঙ্কট রয়েছে। তবে মানুষ চেষ্টা করলে পথ দুর্ঘটনা থেকে শিয়ালকে রক্ষা করতে পারে। সন্ধ্যার মুখে, রাতে ও ভোরবেলা শিয়াল বেশি বের হয়। ওই সময় রাস্তায় সাবধানে গাড়ি চালালে হয়ত দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। লোকালয়ে চলে এলে কেউ নির্যাতন করবেন না। আমাদের খবর দেবেন।



