দুবাই: একটা ইনিংস পাল্টে দিয়েছে সবকিছু। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ-জেতানো সেঞ্চুরির পর বিরাট কোহলিকে ঘিরে মুগ্ধতার আবেশ বিশ্বক্রিকেটে। অবসরের যাবতীয় জল্পনাকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস। ‘চেজমাস্টার’ আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে, ফর্ম যতই সাময়িক হোক, ক্লাস চিরস্থায়ী।
Advertisement
বিরাট ছন্দে থাকা মানেই একের পর এক রাজসিক কভার ড্রাইভ। রবিবার সেটাই দেখা গিয়েছে। অথচ, অস্ট্রেলিয়া সফরে অফস্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে বারবার খোঁচা দিয়ে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। অতীতেও এই শট মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলেছেন তিনি। বিসিসিআই টিভিতে সেই প্রসঙ্গ উঠেও এসেছে বিরাটের গলায়। তিনি বলেছেন, ‘কভার ড্রাইভ অনেক বছর ধরেই আমার দুর্বলতা। তবে এই শটে প্রচুর রানও করেছি। সেটাই বা ভুলি কীভাবে? পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চেয়েছিলাম নিজের শক্তি অনুসারে ব্যাট করতে। শুরুতে অন দ্য রাইজ কয়েকটা কভার ড্রাইভে বাউন্ডারিও আসে। তাই আর সংযমে বেঁধে রাখিনি নিজেকে। ঝুঁকি নিয়েও শটটা খেলেছি। কারণ কভার ড্রাইভ মারতে পারলে মনে হয় যে, আমার হাতেই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই ইনিংসটা তাই বেশ উপভোগ্য। সেই সুবাদে দুর্দান্ত একটা জয়ও পেলাম আমরা।’
রোহিত শর্মার মতো ধুমধাড়াক্কা চালান না তিনি। তিন নম্বরে নেমে দলকে যতটা সম্ভব টেনে নিয়ে যাওয়াই তাঁর দায়িত্ব। বিরাটের ব্যাখ্যা, ‘ঝুঁকি যতটা সম্ভব ছেঁটে ফেলে দলকে জেতার মতো জায়গায় পৌঁছে দেওয়াই আমার কাজ। আর রান তাড়া করতে নেমে জিতিয়ে ফিরতে পারলে তো কথাই নেই। তখন বাড়তি তৃপ্তি পাই। বরাবর এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে ভালোবাসি। আমার ভূমিকা তাই বদলায়নি, একই রকম রয়েছে। পরিস্থিতি অনুসারে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি এখনও।’
দুবাইয়ে দুই দেশের সমর্থকদের সমান-সমান উপস্থিতিও সেরাটা মেলে ধরতে উদ্দীপ্ত করেছে বিরাটকে। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ৮২টি সেঞ্চুরি হয়ে গেল তাঁর। শচীন তেন্ডুলকরের ১০০ সেঞ্চুরি থেকে দূরত্ব আর ১৮। ওয়াসিম আক্রামের মতো কিংবদন্তি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘আন্তরিকভাবেই চাই কোহলি যেন ১০০ সেঞ্চুরি করে।’ আসলে ম্যাচ জেতানো এই ইনিংসে সম্মোহিত প্রতিপক্ষও। পাক অধিনায়ক মহম্মদ রিজওয়ান বলেছেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বিরাটকে আউট করতে পারিনি। ওর কাছেই হেরেছি। পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিল যে ও ফর্ম হারায়নি।’ ম্যাচের পর বিরাটের সঙ্গে পাক ক্রিকেটারদের সেল্ফি তোলার হিড়িকও নজর কেড়েছে।
তবে অখেলোয়াড়োচিত মনোভাবের জন্য সমালোচিত হচ্ছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শতরানের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো বিরাটকে থামাতে একের পর এক ওয়াইড করছিলেন তিনি। অবশ্য ভিকে’র ৫১তম ওডিআই সেঞ্চুরির পথে তা বাধা হয়ে উঠতে পারেনি। রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচের আগে বিরাট অবশ্য বিশ্রামে জোর দিচ্ছেন। ৩৬ বছর বয়সে দুবাইয়ের গরমে চারদিনে দুটো ম্যাচ খেলেছে টিম ইন্ডিয়া। কিউয়িদের মোকাবিলার আগে দিন কয়েক সময় রয়েছে। ক্লান্তি দূর করতে তা কাজে লাগাতে চাইছেন বিরাট।
রোহিত শর্মার মতো ধুমধাড়াক্কা চালান না তিনি। তিন নম্বরে নেমে দলকে যতটা সম্ভব টেনে নিয়ে যাওয়াই তাঁর দায়িত্ব। বিরাটের ব্যাখ্যা, ‘ঝুঁকি যতটা সম্ভব ছেঁটে ফেলে দলকে জেতার মতো জায়গায় পৌঁছে দেওয়াই আমার কাজ। আর রান তাড়া করতে নেমে জিতিয়ে ফিরতে পারলে তো কথাই নেই। তখন বাড়তি তৃপ্তি পাই। বরাবর এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে ভালোবাসি। আমার ভূমিকা তাই বদলায়নি, একই রকম রয়েছে। পরিস্থিতি অনুসারে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি এখনও।’
দুবাইয়ে দুই দেশের সমর্থকদের সমান-সমান উপস্থিতিও সেরাটা মেলে ধরতে উদ্দীপ্ত করেছে বিরাটকে। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ৮২টি সেঞ্চুরি হয়ে গেল তাঁর। শচীন তেন্ডুলকরের ১০০ সেঞ্চুরি থেকে দূরত্ব আর ১৮। ওয়াসিম আক্রামের মতো কিংবদন্তি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘আন্তরিকভাবেই চাই কোহলি যেন ১০০ সেঞ্চুরি করে।’ আসলে ম্যাচ জেতানো এই ইনিংসে সম্মোহিত প্রতিপক্ষও। পাক অধিনায়ক মহম্মদ রিজওয়ান বলেছেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বিরাটকে আউট করতে পারিনি। ওর কাছেই হেরেছি। পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিল যে ও ফর্ম হারায়নি।’ ম্যাচের পর বিরাটের সঙ্গে পাক ক্রিকেটারদের সেল্ফি তোলার হিড়িকও নজর কেড়েছে।
তবে অখেলোয়াড়োচিত মনোভাবের জন্য সমালোচিত হচ্ছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শতরানের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো বিরাটকে থামাতে একের পর এক ওয়াইড করছিলেন তিনি। অবশ্য ভিকে’র ৫১তম ওডিআই সেঞ্চুরির পথে তা বাধা হয়ে উঠতে পারেনি। রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচের আগে বিরাট অবশ্য বিশ্রামে জোর দিচ্ছেন। ৩৬ বছর বয়সে দুবাইয়ের গরমে চারদিনে দুটো ম্যাচ খেলেছে টিম ইন্ডিয়া। কিউয়িদের মোকাবিলার আগে দিন কয়েক সময় রয়েছে। ক্লান্তি দূর করতে তা কাজে লাগাতে চাইছেন বিরাট।



