হায়দরাবাদ, ১৩ ডিসেম্বর: গ্রেপ্তারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম সুপারস্টার আল্লু অর্জুন। চার সপ্তাহের জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দিল তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট। গ্রেপ্তারির পর নিম্ন আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এমনকী আগামী সোমবার পর্যন্ত তাঁর সুরক্ষাকবচের আবেদনকেও খারিজ করে। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবারই তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আল্লুর আইনজীবী। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আল্লু শুধুমাত্র একজন অভিনেতা বলেই তাঁকে এভাবে আটকে রাখা যায় না। তাঁর স্বাধীনতার অধিকারকেও খারিজ করা যায় না।
Advertisement
আজ শুক্রবার দুপুর নাগাদ তাঁকে গ্রেপ্তার করে চিকাড়পল্লী থানার পুলিস। সম্প্রতি ‘পুষ্পা ২’-এর প্রিমিয়ার চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার জেরেই ‘পুষ্পা’কে গ্রেপ্তার করল পুলিস। গত ৪ ডিসেম্বর হায়দরাবাদে ছিল ‘পুষ্পা ২’-এর প্রথম প্রিমিয়ার। সেখানে একটি থিয়েটারে এই প্রচারানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আল্লু অর্জুনকে দেখতে তাঁর সেখানে তাঁর অনুরাগীদের ভিড় এত বেশি হয় যে, কোনওভাবেই হুড়োহুড়ি থামানো যায়নি। ফলে এড়ানো যায়নি দুর্ঘটনাও। ভিড়ের মধ্যেই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। সঙ্গে থাকা তাঁর ৮ বছরের ছেলেও গুরুতর জখম হয়। পুলিসের দাবি, এই অনুষ্ঠানের জন্য কোনও পুলিসি অনুমতি নেওয়া হয়নি বা পুলিসকেও জানানো হয়নি। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এদিন আল্লু অর্জুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। এরপর বিকেলের দিকে তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়।
আজ সকালবেলা ‘পুষ্পা’র বাড়িতে হঠাৎই হাজির হন পুলিস আধিকারিকেরা। এরপর তাঁকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। তবে শুধুমাত্র আল্লু অর্জুন নয়। ৪ ডিসেম্বরে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় থিয়েটার ম্যানেজমেন্ট ও আল্লু অর্জুনের নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে পুলিস। ঘটনায় হতচকিত পুষ্পা ভক্তরা। ঘটনায় মামলা দায়েরকারী মৃতার স্বামী অবশ্য আল্লুর উপর কোনও দোষ চাপাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, “এই ঘটনায় আল্লুর কিছুই করার নেই। দরকার হলে আমি মামলা তুলে নেব।”
আজ সকালবেলা ‘পুষ্পা’র বাড়িতে হঠাৎই হাজির হন পুলিস আধিকারিকেরা। এরপর তাঁকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। তবে শুধুমাত্র আল্লু অর্জুন নয়। ৪ ডিসেম্বরে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় থিয়েটার ম্যানেজমেন্ট ও আল্লু অর্জুনের নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে পুলিস। ঘটনায় হতচকিত পুষ্পা ভক্তরা। ঘটনায় মামলা দায়েরকারী মৃতার স্বামী অবশ্য আল্লুর উপর কোনও দোষ চাপাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, “এই ঘটনায় আল্লুর কিছুই করার নেই। দরকার হলে আমি মামলা তুলে নেব।”



