Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ডাবল ট্যাক্স’ থেকে নাগরিকদের মুক্তির আশ্বাস ফিরহাদের

‘ডাবল ট্যাক্স’ থেকে নাগরিকদের মুক্তির আশ্বাস ফিরহাদের
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভা এলাকার সংযুক্ত অঞ্চলে (১০১ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ড) বিএলআরও খাজনা এবং পুরসভার সম্পত্তি করের টাকা, এই দুটোই দিতে হয় বাসিন্দাদের। এই ‘ডাবল’ ট্যাক্স বা দ্বৈত কর থেকে এই এলাকার নাগরিকদের মুক্তি দেওয়া হোক-পুরসভার বাজেট অধিবেশনে ফের এই দাবি তুললেন ১৩ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান ও ১১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রত্না শূর। এরপর কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, বিষয়টি বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। উল্লেখ্য, সংযুক্ত এলাকাগুলি আগে অন্য পুরসভা কিংবা পঞ্চায়েতের আওতাভুক্ত ছিল। তখন খাজনা নেওয়া হতো। পরে যাদবপুর, টালিগঞ্জ, গার্ডেনরিচ, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, জোকা কলকাতা পুরসভার আওতাধীন হয়। তবে সেই সময়কালের বিএলআরও খাজনা বন্ধ হয়নি। আইনি নিয়মের জটিলতার কারণে তা বন্ধ করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে লাগু হয়েছে পুরসভার সম্পত্তিকর। যার ভিত্তিতে সংযুক্ত অঞ্চলের প্রতিটি বাড়ির ঠিকানা হিসেবে পুরসভার খাতায় তৈরি হয়েছে ‘প্রেমিসেস নম্বর’ বা জমি কিংবা বাড়ির নম্বর। রত্না শূর বলেন, ‘এক্ষেত্রে আরও বড় সমস্যা হচ্ছে এই সব এলাকায় প্রতিটি বাড়ির পোস্টাল অ্যাড্রেস বা ডাক বিভাগের খাতায় থাকা ঠিকানা ও পুরসভার প্রেমিসেস নম্বর পৃথক। ফলে সমস্যা হয়।’ এই সমস্ত জটিলতা মেটানোরও দাবি জানান তিনি। মেয়র বলেন, ‘পুরসভার মধ্যে থেকেও একজন বাসিন্দাকে দুটো ট্যাক্স দিতে হবে, সেটা সত্যি সমস্যার। বিষয়টি নবান্নে পাঠানো হয়েছে। কারণ এর সঙ্গে ভিন্ন দপ্তর জড়িত। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে এই আইনি জটিলতা দূর হবে।’ পুরসভার আধিকারিকরা জানান, বিষয়টি ভূমিদপ্তরের আওতাভুক্ত। কলকাতার বিএলআরও অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ডগুলির জন্য এই নিয়ম বদল জটিল প্রক্রিয়া। আইন সংশোধনও দরকার। ফলে এই প্রক্রিয়া সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। দীর্ঘমেয়াদিও বটে।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ