Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘আলিয়া ভাটের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চাই’

‘আলিয়া ভাটের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চাই’
  • ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
পড়াশোনার সূত্রে কলকাতায় আসা। তারপরেই অভিনয়ের অপ্রত্যাশিত সুযোগ আসে। মাটির তাল থেকে যেভাবে প্রতিমা গড়ে ওঠে সেভাবেই দিব্যাণি মণ্ডল হয়ে উঠেছেন সকলের প্রিয় ‘ফুলকি’।
Advertisement
সহজ জার্নি
সম্প্রতি ৫০০ পর্ব পেরিয়ে গেল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’। মুখ্য চরিত্রে দিব্যাণির অভিনয় সর্বস্তরে প্রশংসিত। শুরুর দিনগুলোতে ভাবতেই পারেননি এতটা পথ পেরোতে পারবেন। কীভাবে সম্ভব হল? প্রশ্ন শুনেই উচ্ছ্বাস ধরা পড়ল অভিনেত্রীর কথায়। ‘জার্নিটা সহজ হলেও আমরা যখন শুরু করেছিলাম তখন ভাবতে পারিনি এখানে আসতে পারব। ধারাবাহিক যখন শুরু হয়, তখন ২০০ এপিসোড পর্যন্ত আমরা কাউন্ট করতাম। তারপর আর গুনতাম না। তখন মনে হতো নিজের সেরাটা দিতে হবে’, বললেন দিব্যাণি। 

শিক্ষানবীশ
অভিনয় শিখে ইন্ডাস্ট্রিতে আসেননি দিব্যাণি। কাজ করতে করতেই শিখছেন। অভিনয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে তাঁর ধারণা তৈরি হচ্ছে শ্যুটিং ফ্লোরেই। স্পষ্ট বললেন, ‘আমার সহ অভিনেতারা ভীষণ সাপোর্টিভ, আমাকে খুব গাইড করেন। দিব্যাণি থেকে ফুলকি চরিত্রের মধ্যে ঢুকতেই আমার তিন মাস সময় লেগে গিয়েছিল।’ 

হার্ড ওয়ার্ক 
প্রথম তিন মাস খুব পরিশ্রম করতে হয়েছিল দিব্যাণিকে। মেদিনীপুরে কাঠফাটা গরমের মধ্যে ছিল আউটডোর শ্যুটিং। তাঁর কথায়, ‘এখন ভাবলে মনে হয় কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে। শেখা এবং নিজের সেরাটা দেওয়া, দুটোই একইসঙ্গে করতে হতো। কুমোরটুলিতে যেভাবে ঠাকুর গড়ে সেরকম ভাবে আমাকে তৈরি করা হয়েছে।’ সবটাই জেদ হিসেবে নিয়েছিলেন দিব্যাণি। ভালো কাজ করতে হবে এবং নিজেকে শিখতেও হবে, এটাই তাঁর ভাবনায় ছিল।

অফার
একটা মিউজিক ভিডিও বদলে দেয় দিব্যাণির ভাগ্যের চাকা। বললেন, ‘আমি একটা মিউজিক ভিডিও করেছিলাম, সেটা খুব ভাইরাল হয়। সেখান থেকেই এই ধারাবাহিকের অফার পেয়েছিলাম।’ ধারাবাহিক শুরুর আগে ওয়ার্কশপে অংশ নিয়েছিলেন দিব্যাণি। কিন্তু সেখানে অভিনয় নয়, সকলের সঙ্গে সহজ ভাবে মিশতে শেখানো হয়েছিল। ‘মিডিয়া নিয়ে আমার মাস্টার্স করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু হঠাৎ এই সুযোগটা চলে আসে। যদিও ভবিষ্যতে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনার ইচ্ছে আছে। তবে এই সুযোগটা আসার পর জার্নিটা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে’, স্বীকার করলেন দিব্যাণি। 

পরিচিতি
‘ফুলকি’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় দিব্যাণি নামটা ঢাকা পড়ে যাচ্ছে না তো? হেসে বললেন, ‘ফুলকি তো আমার প্রথম সিরিয়াল। এখান থেকে মানুষ আমাকে চিনেছেন, তাই দর্শকের কাছে আমি ফুলকি। দর্শকদের ভালোবাসাই সব। আশা করি আগামী দিনেও এভাবেই মানুষের সমর্থন পাব।’

আত্মবিশ্বাসী
প্রথম সুযোগেই কেন্দ্রীয় চরিত্র, এত জনপ্রিয়তা। ‘ফুলকি’ শেষ হলে ফের মুখ্য চরিত্র না পাওয়ার আশঙ্কা হয়? দিব্যাণির স্পষ্ট উত্তর, ‘আমার জার্নি তো সবে শুরু। এই নিয়ে এখনই কেন এত ভাবব? এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি। আমি ভেবে রেখেছি, ‘ফুলকি’ শেষ হলে সাঁতার শিখব। যেগুলো এখনও শেখা হয়নি এরকম অনেক কিছু শিখতে চাই।’  

স্বপ্ন
অভিনয় নিয়ে অনেক স্বপ্ন আছে দিব্যাণির। তার মধ্যে একটার কথা বলেই ফেললেন। ‘আলিয়া ভাটের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চাই’, মুচকি হাসলেন অভিনেত্রী।
পিয়ালী দাস
সম্পর্কিত সংবাদ