সোহম কর, কলকাতা: বয়স মাত্র ২৬। সমাজ বদলের স্বপ্ন নিয়ে ছাত্র রাজনীতিতে পা রাখা। তারপর কনিষ্ঠতম প্রতিনিধি হিসেবে সিপিএমের ২৭তম রাজ্য সম্মেলনে যোগদান। তিনি সৌভিক দে বক্সী। এই সম্মেলনেই বয়োজ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ছিলেন ৮১ বছরের কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। এবার নিয়ে ১৬টি রাজ্য সম্মেলনের প্রতিনিধি হলেন তিনি। সর্বকনিষ্ঠ সৌভিক ও তাঁর মতো আরও অনেককে দেখে আজও ভরসা পান কান্তিবাবুরা! নবীনদের এই বর্ষীয়ানের পরামর্শ, ‘আগে মানবতাবাদী হও। তারপর কমিউনিস্ট হবে।’ আর সুজন চক্রবর্তী, মহম্মদ সেলিমরা তাঁকে সমস্ত অভিজ্ঞতা লিখে রাখার পরামর্শ দিলেন।
Advertisement
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেছেন সৌভিক। প্রথমবার সম্মেলনে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন? তাঁর কথায়, ‘সমস্ত জেলা থেকে প্রতিনিধিরা এসে তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরছেন। এই আদানপ্রদানের ফলে ভবিষ্যতের রাজনীতিতে সুবিধা হবে।’ সৌভিকের পরিবারের কেউ সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তবে বামপন্থী আবহেই তাঁর বড় হয়ে ওঠা। কিন্তু দু’চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে যে দলের ঝাণ্ডা ধরেছেন, তারা তো একের পর এক ভোটে শূন্য! তাহলে কীসের টানে সেই দলে আসা?
তরুণ সিপিএম নেতার দাবি, ‘সরকারি সুযোগসুবিধা পাওয়ার মোহে আমরা রাজনীতিতে আসিনি। সম্মেলন শিখিয়ে দিল, আমরা যাঁরা বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের সংসদীয় মোহ কাটিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে রাজনীতি করতে হবে। আর তার জন্য শান দিতে হবে মতাদর্শে।’ এ বিষয়ে সম্মেলনে প্রকাশ কারাতের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করতে ভুললেন না তিনি। কমিউনিস্ট পার্টি মানে কি কঠিন শৃঙ্খলা আর গঠনতন্ত্রের কাঠামোয় নিজেকে বেঁধে ফেলা? সৌভিকের মনে হয়েছে, কখনও কখনও নিয়মের শিথিলতাও প্রয়োজন। তা না হলে যান্ত্রিকতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে দল।
সম্মেলনের বিরতির সময় দেখা গেল, বর্ষীয়ান কান্তিবাবু যেন আগলে রেখেছেন সর্বকনিষ্ঠ প্রতিনিধিকে। কখনও তাঁর গাল টিপে আদর করে দিচ্ছেন। কান্তিবাবু বলছেন, ‘নতুন পরিস্থিতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে। এই কথাই উঠে এসেছে আমাদের সম্মেলন থেকে। সৌভিকদের দেখে ভরসা পাচ্ছি। এরাই পারবে। ওঁকে বললাম, মানুষের জন্য কাজ করে যাও। আগে হিউম্যানিস্ট হও। পরে কমিউনিস্ট হবে।’ প্রসঙ্গত, বয়স কিছুটা কম হলেও কান্তিবাবুর মতোই ১৬টি রাজ্য সম্মেলনে উপস্থিত থেকেছেন বর্ধমানের সিপিএম নেতা অমল হালদারও।
তরুণ সিপিএম নেতার দাবি, ‘সরকারি সুযোগসুবিধা পাওয়ার মোহে আমরা রাজনীতিতে আসিনি। সম্মেলন শিখিয়ে দিল, আমরা যাঁরা বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের সংসদীয় মোহ কাটিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে রাজনীতি করতে হবে। আর তার জন্য শান দিতে হবে মতাদর্শে।’ এ বিষয়ে সম্মেলনে প্রকাশ কারাতের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করতে ভুললেন না তিনি। কমিউনিস্ট পার্টি মানে কি কঠিন শৃঙ্খলা আর গঠনতন্ত্রের কাঠামোয় নিজেকে বেঁধে ফেলা? সৌভিকের মনে হয়েছে, কখনও কখনও নিয়মের শিথিলতাও প্রয়োজন। তা না হলে যান্ত্রিকতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে দল।
সম্মেলনের বিরতির সময় দেখা গেল, বর্ষীয়ান কান্তিবাবু যেন আগলে রেখেছেন সর্বকনিষ্ঠ প্রতিনিধিকে। কখনও তাঁর গাল টিপে আদর করে দিচ্ছেন। কান্তিবাবু বলছেন, ‘নতুন পরিস্থিতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে। এই কথাই উঠে এসেছে আমাদের সম্মেলন থেকে। সৌভিকদের দেখে ভরসা পাচ্ছি। এরাই পারবে। ওঁকে বললাম, মানুষের জন্য কাজ করে যাও। আগে হিউম্যানিস্ট হও। পরে কমিউনিস্ট হবে।’ প্রসঙ্গত, বয়স কিছুটা কম হলেও কান্তিবাবুর মতোই ১৬টি রাজ্য সম্মেলনে উপস্থিত থেকেছেন বর্ধমানের সিপিএম নেতা অমল হালদারও।



