Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নদীতে জলস্তর কম, তিন ঘণ্টা বন্ধ উলুবেড়িয়া-আছিপুর লঞ্চ পরিষেবা

ভাটার কারণে হুগলি নদীতে জলস্তর কমে গিয়েছিল। এর ফলে বুধবার সকালে প্রায় তিন ঘণ্টা উলুবেড়িয়া আছিপুর লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ থাকল। এতে সমস্যায় পড়েন কয়েকশো মানুষ।

নদীতে জলস্তর কম, তিন ঘণ্টা বন্ধ উলুবেড়িয়া-আছিপুর লঞ্চ পরিষেবা
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ভাটার কারণে হুগলি নদীতে জলস্তর কমে গিয়েছিল। এর ফলে বুধবার সকালে প্রায় তিন ঘণ্টা উলুবেড়িয়া আছিপুর লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ থাকল। এতে সমস্যায় পড়েন কয়েকশো মানুষ। পরে নদীতে জোয়ার এলে ফের লঞ্চ পরিষেবা চালু হয়।

Advertisement

বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ নদীতে জলস্তর অনেকটাই কমে যায়। এতেই ঘটে বিপত্তি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আছিপুরের দিকে লঞ্চঘাটের কাছে বিরাট চর পড়ে যায়। বাধ্য হয়ে সকাল ৯টা থেকে এই নদীপথে লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। উলুবেড়িয়া জেটিঘাটে লঞ্চ বন্ধের নোটিস টাঙিয়ে দেওয়া হয়। সাতসকালে লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের নদীর পাড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে বেলা বারোটা নাগাদ জোয়ার এলে ফের লঞ্চ পরিষেবা চালু হয়।
নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, নদীপথে উলুবেড়িয়া আছিপুর লঞ্চ পরিষেবা চালু হওয়ার পর অনেকটাই সুবিধা হয়েছিল। যদিও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দিকে চর পড়ে যাওয়ায় মাঝেমধ্যেই এভাবে লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ রাখতে হয়। সমস্যা মেটাতে নদীতে ড্রেজিং করার দাবি জানান নিত্যযাত্রীরা।
এই সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন উলুবেড়িয়া জেটিঘাটের কর্মীরা। তাঁদের মতে, প্রতিবার কোটালের পরে এই সমস্যা দেখা দেয়। নদীতে জলস্তর কমে যাওয়ায় লঞ্চ বন্ধ রাখতে হয়। এদিকে এই নদীপথে বিভিন্ন পেশায় যুক্ত মানুষ ছাড়াও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতায়াত করেন। ফলে নিদিষ্ট সময়ে তাঁদের গন্তব্যস্থলে পৌছনো অসম্ভব হয়। কর্মীদের বক্তব্য, একমাত্র নদীতে ডেজিং করলেই এই সমস্যা মিটবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ