Bartaman Logo
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কমিশনকে বাঁচাতে মরিয়া পদ্ম-শিবির, জ্ঞানেশকে পদ্মসম্মান দেওয়া উচিত: শমীক

নির্বাচন কমিশন একটি স্বশাসিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাদের নিজস্ব মুখপাত্র অথবা মিডিয়া উইং আছে। অর্থাৎ কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি কিংবা সিদ্ধান্ত ঘোষণার জন্য তাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই রয়েছে।

কমিশনকে বাঁচাতে মরিয়া পদ্ম-শিবির, জ্ঞানেশকে পদ্মসম্মান দেওয়া উচিত: শমীক
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশন একটি স্বশাসিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাদের নিজস্ব মুখপাত্র অথবা মিডিয়া উইং আছে। অর্থাৎ কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি কিংবা সিদ্ধান্ত ঘোষণার জন্য তাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই রয়েছে। অথচ কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে কিংবা বিরোধী দল যে কোনো ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট করলে সবার আগে কমিশনের হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপি। অথচ বিজেপি সারাক্ষণই দাবি করে যে, কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা। কমিশনের কাজের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের মধ্যে সর্ববৃহৎ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপি ফের কমিশনের হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বুধবার কংগ্রেস থেকে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি অথবা ডিএমকে, রাষ্ট্রীয় জনতা দল কিংবা আম আদমি পার্টি ও বামপন্থীরা— তাবৎ বিরোধীদলের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। কয়েকটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করার দাবিও করেছে। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত বিবৃতি জারি তাদের অবস্থান জানালেও, শান্ত হচ্ছে না বিজেপি। বিরোধীদের তাবৎ আক্রমণের জবাব দেওয়ার দায় বিজেপি নিজের কাঁধে নিয়েছে। বিজেপি মুখপাত্র সম্বিৎ পাত্র বলেছেন, রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে যেভাবে নির্বাচন কমিশন থেকে সুপ্রিম কোর্ট, সরকার অথবা শিক্ষামন্ত্রকের বদনাম করেন, সেটা আসলে দেশদ্রোহিতা। আবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, জ্ঞানেশ কুমার যেভাবে এত বছর পর বাংলার মানুষকে অবাধে শান্তিপূর্ণ ভোট দেওয়ার অধিকার পাইয়ে দিয়েছেন, সেজন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। শমীকবাবু বলেছেন, জ্ঞানেশ কুমারকে পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করা উচিত। সম্বিৎ পাত্রের বক্তব্য, বিগত ১২ বছর ধরে লাগাতার রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এই সব জয় কি ইভিএমে গরমিল করে এসেছে? এর আগে এই বিরোধীরা এমন অনেক ভোটে এমন অনেক কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে, যেখানে বিরোধীরাই জয়ী হয়েছে বিজেপিকে হারিয়ে। পশ্চিমবঙ্গেই সম্প্রতি তূণমূল কংগ্রেস যে কেন্দ্রগুলিতে কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা কিংবা ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ এনেছে, সেখানে তূণমূলই জয়ী হয়েছে। এসব থেকেই স্পষ্ট যে বিরোধীরা ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার চক্রান্তে শামিল হয়েছে। তারা চাইছে না ভারতে সুস্থিতি বজায় থাকুক। বিজেপি মুখপাত্র বলেছেন, নির্বাচন কমিশনারদের অতীতে কংগ্রেস অসংখ্যবার রাজ্যপাল করে দিয়েছিল, দলের প্রার্থী করেছে, কোনো কমিশনের চেয়ারম্যান করেছে। সুতরাং ভারতে এমন কোনও অনিয়ম নেই যা কংগ্রেস করেনি। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ