সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি বাতিল হওয়ায় অঙ্ক ও জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে আর কোনও শিক্ষক থাকল না আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকের লোকনাথপুর হাইস্কুলে। এখন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পঠনপাঠনের কী হবে তা নিয়ে দিশাহারা অবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষের।
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি বাতিল হওয়ায় অঙ্ক ও জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে আর কোনও শিক্ষক থাকল না আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকের লোকনাথপুর হাইস্কুলে। এখন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পঠনপাঠনের কী হবে তা নিয়ে দিশাহারা অবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষের।
লোকনাথপুর হাইস্কুলে একসঙ্গে পাঁচজন শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে অঙ্কের দু’জন, জীবনবিজ্ঞান, এডুকেশন ও বাংলা বিষয়ের একজন করে শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা লোকনাথপুর হাইস্কুলে অঙ্কের দু’জন ও জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে একজন করে শিক্ষক ছিলেন। তিনজনেরই চাকরি বাতিল হওয়ায় অঙ্ক ও জীবনবিজ্ঞান এই দুই বিষয়ে আর কোনও শিক্ষক থাকল না।
স্বভাবতই স্কুল কর্তৃপক্ষের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। এখন কীভাবে স্কুলের এই দুই বিষয়ের পঠনপাঠন চলবে, তা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কিছুতেই ভেবে পাচ্ছে না। অভিভাবকরা পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
লোকনাথপুর হাইস্কুলে শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৬৭। তারমধ্যে বর্তমানে স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা অর্ধেকেরও কম, ৩২ জন। তারমধ্যে পাঁচজন শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ায় এই মুহূর্তে ওই স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ২৭ জনে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক ক্ষিতীশ দেবনাথ বলেন, শিক্ষকের অপ্রতুলতা থাকেই। সেটা কোনও বড় কথা নয়। কিন্তু আমাদের স্কুলে অঙ্কে দু’জন ও জীবনবিজ্ঞানে বিষয়ে একজন শিক্ষক ছিল। আমরা মুশকিলে পড়েছি অঙ্কের ওই দু’জন ও জীবনবিজ্ঞানে একজন শিক্ষকের চাকরি চলে যাওয়ায়। এখন স্কুলে কীভাবে ওই দুই বিষয়ের পঠনপাঠন চলবে বুঝতে পারছি না। বিষয়টি শিক্ষাদপ্তরকে জানানো হচ্ছে।
লোকনাথপুর হাইস্কুলে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। অভিভাবক শ্যামল দেবনাথ, রতন দাস ও চৈতালি বর্মন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই বিষয়ে শিক্ষক না থাকায় এখন আমাদের ছেলেমেয়েদের পঠনপাঠনের কী হবে বুঝতে পারছি না।