নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার দেগঙ্গার চাকলা মন্দিরে পালিত হল লোকনাথদেবের তিরোধান দিবস। এই উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল। এদিন বিশ্ব শান্তির উদ্দেশে বিশেষ শান্তি যজ্ঞের আয়োজনও করা হয়েছিল মন্দিরে। ভক্ত থেকে মন্ত্রী, সাংসদ থেকে বিধায়ক সবাই পুজো দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, চাকলার লোকনাথ মন্দিরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে সারাবছর ধরেই ভক্তদের আনাগোনা থাকে। মন্দির পর্যটকের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। এক সঙ্গে দু’হাজার ভক্তের বসে খাওয়ার ব্যবস্থা, রান্নাঘর, গেস্ট হাউস, দরজা, ভক্তদের আসার জন্য রাস্তা সংস্কার, আলো ইত্যাদির ব্যবস্থা হয়েছে। মঙ্গলবার লোকনাথ বাবার ১৩৫তম তিরোধান দিবস ছিল। এদিন সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় জমতে থাকে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বারাসতের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, হাবড়ার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ অন্যান্যরা। দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মন্দিরে আসেন সাংসদ। তিনি মন্দিরের গর্ভগৃহে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নামে পুজো দেন। আসেন দমকলমন্ত্রী। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এসেছেন বলে জানান। বিকেলে আসেন হাবড়ার বিধায়ক।
এদিন সকাল থেকে লোকনাথের পুজো হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত পুজো দেন। ভিড় সামাল দিতে ছিল পুলিস ও মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাসেবক। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমার হাত দিয়ে পুজোর ডালি পাঠিয়েছেন। তা দিয়ে পুজো দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী চাকলা মন্দিরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করেছেন। শুধু চাকলা নয়, দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ, কালীঘাট সহ রাজ্যের সব মন্দিরের উন্নয়ন করেছেন। ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সকলের-বাংলার এই সংস্কৃতি নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।’ বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক চাকলা মন্দিরে বাবা লোকনাথের নামে মিউজিয়াম তৈরির আশ্বাস দেন। মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা নবকুমার দাস বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্যে উন্নয়ন হয়েছে। আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।’