Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেতাই চাঁদ বিলকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্রের আশায় স্থানীয় মানুষজন

বেতাই চাঁদ বিলকে পর্যটন কেন্দ্র করার দাবি জানালেন স্থানীয়রা। উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আহ্বান। বিস্তারিত পড়ুন।

বেতাই চাঁদ বিলকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্রের আশায় স্থানীয় মানুষজন
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: নতুন সরকারের জমানায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের বাস্তবায়ন ঘটাচ্ছেন। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে নদীয়ার তেহট্ট থানার বেতাই চাঁদ বিলকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র করার আবেদন কিন্তু দীর্ঘদিনের। এখানে পর্যটন কেন্দ্র হলে আর্থিক দিক থেকে স্থানীয় মানুষের যেমন উন্নতি হবে তেমনই এলাকারও উন্নয়ন হবে। 

Advertisement

এলাকার মানুষের দাবি, প্রচারে বেরিয়ে তেহট্টের বিধায়ক সুব্রত কবিরাজ বেতাই চাঁদবিলের প্রসঙ্গটি প্রচারে তুলেছিলেন। এই চাঁদবিলে ৮৯ মৌজা ১০৪৬৯ দাগে  ১১৫ একর জমি ছিল।  বর্তমানে এই বিলের আয়তন কমতে শুরু করেছে। বিলের কমে যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধার হবে কি না, সেদিকে তাকিয়ে মানুষজন। এমনকি, বিলের গতি রোধ করে পুকুর তৈরি হয়েছে যার ফলে সরাসরি জলঙ্গি নদীর সঙ্গে যে সংযোগ ছিল, তা বন্ধ হয়েছে। এলাকার মানুষের দাবি, দখলকৃত সম্পত্তির মালিকদের থেকে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হোক। এভাবেই চাঁদবিলটিকে আগের অবস্থায় ফেরানোর দাবি তুলেছে মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ। তা না হলে এখনও যেটুকু জলাভূমি অবশিষ্ট রয়েছে সেটুকু বাঁচিয়ে রেখে বিভিন্ন প্রকল্প করা যেতে পারে বলে দাবি তাঁদের। এলাকার মানুষের আশা, এই চাঁদাবিলকে কেন্দ্র করে হতে পারে উন্নতমানের পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদনের জায়গা।  বিলের চারপাশে প্রাতঃভ্রমণের রাস্তা, সুইমিং পুল করা যেতে পারে। এই সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এলাকার শ্রীবৃদ্ধির পাশাপাশি প্রচুর কর্মসংস্থানও হবে। 
এলাকার মানুষের কথায়, শীতকালে এই চাঁদ বিলে প্রচুর পরিমাণে পরিযায়ী পাখি আসে। সেই সঙ্গে এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ পিকনিক করতে আসেন। পর্যটন কেন্দ্র হলে যেমন এখানে ভ্রমণ পিপাসুদের আনাগোনা বাড়বে, তেমনই তেহট্ট মহকুমায় কোনো পিকনিক স্পট না থাকার সমস্যার সমাধান হবে। 
এই বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত কবিরাজ বলেন, আমি প্রশাসনিক বৈঠকে বিষয়টি জানিয়েছি। প্রশাসনিক ভাবে যারা চাঁদবিল অবৈধ ভাবে দখল করে রেখেছে তাঁদের থেকে দখলমুক্ত করা হবে।  এলাকার মৎস্যজীবীরা যারা এই জায়গায় মাছ চাষ করে তাঁদের সংসার চলে তাঁদের সুবিধার্থে এই জমি জলাশয় দখল মুক্ত করতে হবে। সেই সঙ্গে এই জায়গায় প্রশাসনিক দিক থেকে এমন কিছু করা যেতে পারে যাতে এলাকার শ্রীবৃদ্ধি হয়। 

সম্পর্কিত সংবাদ