নিজস্ব প্রতিনিধি, লন্ডন: ইউক্রেনকে যারা অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে, তাদের উপর পাল্টা হামলা চালানো হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নাম না করে আমেরিকা ও ব্রিটেনকেই পুতিন হুমকি দিয়েছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ইউক্রেন লক্ষ্য করে ইন্টার-কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইলও ছুড়েছে রুশ বাহিনী। তার মধ্যেই দুই ঘটনায় শুক্রবার ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি হল লন্ডনে। এদিন শহরের নাইন এলমস এলাকায় অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস চত্বরে একটি সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধার হয়। এরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিস। পরে মেট্রোপলিটান পুলিস ‘নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ’-এর সাহায্যে ওই প্যাকেটটি নষ্ট করে দেওয়া হয়। এদিনই সকালে লাগেজের মধ্যে ‘নিষিদ্ধ বস্তু’ উদ্ধার হওয়ায় লন্ডনের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাটউইক বিমানবন্দরের সাউথ টার্মিনালের একাংশ ফাঁকা করে দেওয়া হয়। ওই টার্মিনালগামী কয়েকটি রাস্তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
Advertisement
মার্কিন দূতাবাসে সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধারের বিষয়ে মেট্রোপলিটান পুলিস এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে করে জানায়, কিছুক্ষণ আগে যে জোরে আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে, তা পুলিস আধিকারিকরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে তৈরি হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। ফলে ওই এলাকা আপাতত ঘিরে রাখাই থাকবে। সূত্রের খবর, এদিনের ঘটনার পর মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করা হয়। সশস্ত্র পুলিস আধিকারিকরা গোটা চত্বরে তল্লাশি চালান। দূতাবাসের কর্মী ও বিভিন্ন কাজের সূত্রে সেখানে গিয়েছিলেন, তাঁদের তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভিতরেই থাকতে বলা হয়। মার্কিন দূতাবাসের তরফেও সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে।
গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ২২০টি গন্তব্যে বিমান চলাচল করে। ইউরোপের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের মধ্যে এটি অন্যতম। ফলে একটি টার্মিনাল বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল্পনা তৈরি হয়। সাসেক্স পুলিসের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে লাগেজের মধ্যে নিষিদ্ধ বস্তু উদ্ধারের পর পুলিসকে গ্যাটউইক বিমানবন্দরের সাউথ টার্মিনালে আসতে বলা হয়। সাধারণ মানুষ, যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওই চত্বর ঘিরে ফেলা হয়। এক্সপ্লোসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল টিমকেও ডেকে পাঠানো হয়। এর জেরে সাধারণ পরিষেবা ব্যাহত হয়। বিমানবন্দরের পাশাপাশি বিমানবন্দরগামী গ্যাটউইক এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়। এছাড়া টেমসলিঙ্ক ও সাউদার্ন রেলের ট্রেনগুলি এদিন গ্যাটউইক বিমানবন্দর স্টেশনে দাঁড়ায়নি।
গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ২২০টি গন্তব্যে বিমান চলাচল করে। ইউরোপের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের মধ্যে এটি অন্যতম। ফলে একটি টার্মিনাল বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল্পনা তৈরি হয়। সাসেক্স পুলিসের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে লাগেজের মধ্যে নিষিদ্ধ বস্তু উদ্ধারের পর পুলিসকে গ্যাটউইক বিমানবন্দরের সাউথ টার্মিনালে আসতে বলা হয়। সাধারণ মানুষ, যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওই চত্বর ঘিরে ফেলা হয়। এক্সপ্লোসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল টিমকেও ডেকে পাঠানো হয়। এর জেরে সাধারণ পরিষেবা ব্যাহত হয়। বিমানবন্দরের পাশাপাশি বিমানবন্দরগামী গ্যাটউইক এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়। এছাড়া টেমসলিঙ্ক ও সাউদার্ন রেলের ট্রেনগুলি এদিন গ্যাটউইক বিমানবন্দর স্টেশনে দাঁড়ায়নি।
দূতাবাসের বাইরে পুলিসি প্রহরা।



