Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে না পারায় ছাব্বিশের ভোট নিয়ে উদ্বেগে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব  

বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সময়সীমা ১১ জানুয়ারি শেষ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লক্ষ। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছেই পৌঁছতে পারেনি পদ্মশিবির। জেলায় কোনওরকমে ১ লক্ষ ২৫ হাজার সদস্য সংগ্রহে সক্ষম হয়েছে তারা।

লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে না পারায় ছাব্বিশের ভোট নিয়ে উদ্বেগে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব
 
  • ২১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সময়সীমা ১১ জানুয়ারি শেষ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লক্ষ। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছেই পৌঁছতে পারেনি পদ্মশিবির। জেলায় কোনওরকমে ১ লক্ষ ২৫ হাজার সদস্য সংগ্রহে সক্ষম হয়েছে তারা। টার্গেটে পৌঁছতে না পারায় ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে উদ্বেগে রয়েছেন জেলা বিজেপির নেতারা।
Advertisement
বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের জেলা ইনচার্জ মিঠু দাস বলেন, ১১ জানুয়ারি শেষ দিন থাকলেও, এখনও ব্লকগুলি থেকে তার চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে আসেনি। টার্গেট দুই লক্ষ হলেও, এক লক্ষ ২৫ হাজার সদস্য সংগ্রহ হয়েছে। যা একেবারেই খারাপ বলা যাবে না। তবে বিজেপির জাতীয় পরিষদ সদস্য দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুণধর দাস বলেন, সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে না পারলে উদ্বেগ হওয়াটা তো স্বাভাবিক। দল নিশ্চয় সেই উদ্বেগ কাটিয়ে উঠবে।
কিন্তু সদস্য সংগ্রহে দল কেন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে ব্যর্থ হল? এই ব্যর্থতা ঢাকতে দলীয় নেতৃত্বের সাফাই, দলের সদস্য সংগ্রহ ডিজিটাল করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের এই প্রান্তিক জেলা চা বাগান, বনবস্তি ও জঙ্গল অধ্যুষিত। যেখানে অধিকাংশ এলাকায় নেটওয়ার্কের সমস্যা ছিল। তার উপর চা শ্রমিক ও বনবস্তিবাসীদের অনেকেরই স্মার্ট ফোনও নেই। ফলে এই এলাকাগুলিতে দলীয় সদস্য সংগ্রহে হোঁচট খেতে হয়েছে।
জেলা বিজেপির নেতারা যাই বলুন না কেন বর্তমানে পদ্মশিবিরকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগের সেই উন্মাদনা আর নেই। তার প্রভাব পড়েছে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
জেলার পাঁচটি বিধানসভার মধ্যে বিজেপির সদস্য সংগ্রহের হাল সবচেয়ে বেশি খারাপ ছিল মাদারিহাট ও কালচিনি বিধানসভায়। এখানে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ২০ হাজারের মতো করে। মাদারিহাট আবার দলের খোদ জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গার নির্বাচনী ক্ষেত্র। যদিও মিঠুবাবুর যুক্তি, উপ নির্বাচনের কারণে মাদারিহাটে দলের সদস্য সংগ্রহ শুরু হয়েছিল অনেক দেরিতে। তার জন্যই মাদারিহাটে ২০ হাজারের মতো সদস্য সংগ্রহ করা গিয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ