লন্ডন: মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে টাই-ব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে লিগ কাপে অঘটন ঘটিয়েছিল চতুর্থ সারির ক্লাব ফ্লিটউড। বুধবারও ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল ব্রাইটন। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শ্যুট-আউটে জয় ছিনিয়ে নিল এতিহাদের ক্লাবটি। সেই সুবাদে টুর্নামেন্টের শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত হল তাদের। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলে। তারপর টাই-ব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে শেষ হাসি হাসে এনজো মারেস্কার ছেলেরা। ম্যাচে সিটির হয়ে জাল কাঁপান মাতেও কোভাসিচ ও ভিটোর রেইস। ব্রাইটনের দুই গোলদাতা মালিক ইয়ালকুয়া ও জিওর্জিনো রুটার। টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তি থেকে রেহাই দিতে বুধবার নিয়মিত প্রথম একাদশের সিংহভাগ ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন কোচ মারেস্কা। হালান্ড, ডোনারুম্মা, রুবেন ডিয়াজদের বাদ দিয়ে দল সাজান তিনি। তা সত্ত্বেও ম্যাচে দু’বার পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফেরে নীল ম্যাঞ্চেস্টার। এরপর টাই-ব্রেকারে বিপক্ষের জোড়া শট রুখে দলের জয় নিশ্চিত করেন দুর্গপ্রহরী জেরোনিমো রুলি।
দিনের অপর ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চেলসিকে হারাল লিভারপুল। বুধবার অ্যানফিল্ডে ৯০ মিনিটের লড়াই শেষ হয় ১-১ গোলে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদে চেলসিকে এগিয়ে দেন মরগ্যান রজার্স। তবে তিন মিনিটের মধ্যেই পাল্টা পেনাল্টি পায় লিভারপুল। তা থেকে জাল কাঁপাতে ভুল করেননি কডি গাকপো। এরপর দু’দলই একাধিক সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ। টাই-ব্রেকারেও নাটক অব্যাহত থাকে। প্রথম সাতটি শটের মধ্যে দু’দলই দু’বার লক্ষ্যভ্রষ্ট করে। অষ্টম শটে লিভারপুলের জো গোমেজ লক্ষ্যভেদে সফল হলেও, চেলসির ওয়েসলে ফোফানা মিস করতেই কোয়ার্টার-ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লিভারপুল।



