Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাজ পড়ে আগুন চুঁচুড়ার হাসপাতালে, তীব্র আতঙ্ক

বাজ পড়ে আগুন চুঁচুড়ার হাসপাতালে, তীব্র আতঙ্ক
  • ২৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। মাঝেমধ্যে রোদের দেখা মিলেছে, তবে তা খুব সামান্যই। বেলা বাড়তেই শুরু হয় বৃষ্টি। সোমবার প্রায় সারাদিনই ছিল মেঘলা আকাশ। হুগলির বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় জল জমে। বজ্রপাতের জেরে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে আগুন ধরে যায়। তাতে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনতলার ওই ঘরের অক্সিজেনের লাইনপাইপ ও বিদ্যুৎবাহী তারের উপরে বাজ পড়েছিল। তাতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে রোগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দ্রুত তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় কারও ক্ষতি হয়নি। একটি ইঞ্জিন ঘণ্টা খানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতাল সুপার অমিতাভ মণ্ডল বলেন, ঘরে ১৫ জন রোগী ছিলেন। তাঁরা সকলেই নিরাপদে আছেন। বেহাল নিকাশির কারণে ডানকুনি পুরসভার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। চুঁচুড়া, শ্রীরামপুর, বৈদ্যবাটি, চন্দননগরের একাধিক এলাকাতেও জমা জলের কারণে বাসিন্দাদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। হাওড়া শহরের বেশকিছু এলাকায় জল জমার সমস্যা তৈরি হয়। ফরশোর রোড, জিটি রোড, বেনারস রোডের একাংশে জল জমে। পাশাপাশি শিবপুর, সালকিয়া ও দক্ষিণ হাওড়ার বেশ কয়েকটি জায়গায় জমা জল পেরিয়ে কাজে যান বাসিন্দারা। বৃষ্টির জেরে কেনাবেচা বেশ কিছুটা ব্যাহত হয় মঙ্গলাহাটে।  দুপুরের ভারী বৃষ্টিতে দমদম ও পাতিপুকুর আন্ডারপাস জলমগ্ন হয়ে যায়। বরানগর, দমদম সহ শহরতলির বিভিন্ন পুরসভার নিচু এলাকা জল জমে যায়। বরানগরের টবিন রোড ও থানা লাগোয়া বিটি রোডের সার্ভিস রোড ও পাশের রাস্তা জলমগ্ন হয়ে বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া উত্তর দমদম, পানিহাটি ও রহড়া থানা এলাকার বহু নিচু জায়গা জলবন্দি হয়েছে। পানিহাটি শহরের বিভিন্ন জায়গাও জলমগ্ন হয়েছে। অনেক বাড়িতেও জল উঠেছিল। তবে রাতে বৃষ্টি কমতেই ধীরে ধীরে জল নেমে যায়। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। রাস্তার ভাঙা গর্তে জল জমে যায়। বারাকপুর স্টেশনের সামনে জল দাঁড়িয়ে সমস্যা হয় পথ চলতি মানুষের। জল জমেছে বারাকপুর-বারাসত রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাতেও। জল জমেছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোডেও। বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস জানিয়েছেন, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে উঁচু হয়ে যাওয়ায় একটু বৃষ্টিতেই জল জমে যাচ্ছে। বারাসত, মধ্যমগ্রাম, দত্তপুকুর, হাড়োয়া, অশোকনগরে সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়। ফলে কিছুটা হলেও নাকাল হতে হয় মানুষকে। দুপুরে টানা প্রায় দেড় ঘণ্টা বৃষ্টি হয়েছে বনগাঁয়। ঘন ঘন বাজ পড়ার শব্দ শোনা গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনাজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। ক্যানিং-বারুইপুর রোডে বহুক্ষণ জল জমে থাকে। এতে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের চলাফেরা করতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। নিকাশি নালা পরিষ্কার না থাকার কারণেই জল জমেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তবে দিনভর বৃষ্টির জেরে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। দুর্ভোগের পাশাপাশি তাই নাগরিকদের একাংশ স্বস্তির কথাও 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ