দামাস্কাস, ১২ ডিসেম্বর: সিরিয়ায় বাশার আল আসাদের সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। ক্ষমতার রাশ রয়েছে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী তাহরির আল-শামের হাতে। আর সেই কারণেই রাতের ঘুম উড়েছে ইজরায়েলের! বাশার দামাস্কাস ছাড়ার পর থেকেই সিরিয়ার একাধিক জায়গায় লাগাতার হামলা চালিয়েছে তেল আবিব। তবে তাতে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়নি। কারণ ইজরায়েলের মূল টার্গেটই ছিল সিরিয়ার অস্ত্র ভাণ্ডার ও সামরিক ঘাঁটি। হামলা চালানোর বিষয়ে ইজরায়েলি সেনা জানিয়েছে, সিরিয়ার ৮০ শতাংশ অস্ত্রভাণ্ডারই ধ্বংস করা হয়ে গিয়েছে। দামাস্কাস, হোমস,লাতাকিয়া, আল বায়দা বন্দর ও পালমিরায়ের বিমান ও নৌসেনার ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জেট-বিধ্বংসী ব্যাটারি, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিশাইল, হেলিকপ্টার, ট্যাঙ্ক এবং অস্ত্র উৎপাদনের কেন্দ্রগুলোতে ৩৫০টির বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ১৫টি যুদ্ধজাহাজও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে ইজরায়েল। এই হামলার বিষয়ে তেল আবিবের যুক্তি, সিরিয়ায় আসাদ যুগের অবসান ঘটেছে। সেই সুযোগে সেখানকার সামরিক ঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ, অস্ত্রভাণ্ডারের দখল নিতে পারে আল কায়দা, আইএসের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি। সেই সব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির হাতে পড়লে বিপদ হতে পারে ইজরায়েলের। তাই নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই দামাস্কাস সহ একাধিক শহরে লাগাতার হামলা চালিয়েছে তাঁরা। ইজরায়েলি সেনা এও জানিয়েছে, ডজন খানেক অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করেছে তাঁরা। যেগুলি সমুদ্র থেকে সমুদ্র পথে হামলা চালাতে সক্ষম ছিল।



