Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘বিমানবন্দর পর্যন্ত চালু হতে দিন, দেখবেন ভিড় কাকে বলে’

শহরের তিনটি সম্প্রসারিত মেট্রো রুটের উদ্বোধন হয়েছে শুক্রবার। মেট্রোপথে জুড়ে গিয়েছে নোয়াপাড়া- বিমানবন্দর, কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া)-বেলেঘাটা এবং এসপ্ল্যানেড-শিয়ালদহ।

‘বিমানবন্দর পর্যন্ত চালু হতে দিন, দেখবেন ভিড় কাকে বলে’
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরের তিনটি সম্প্রসারিত মেট্রো রুটের উদ্বোধন হয়েছে শুক্রবার। মেট্রোপথে জুড়ে গিয়েছে নোয়াপাড়া- বিমানবন্দর, কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া)-বেলেঘাটা এবং এসপ্ল্যানেড-শিয়ালদহ। শহরের প্রায় সব দিকে ডানা মেলে দেওয়া মেট্রোর সুবিধা নিতে এদিন হাওড়া থেকে শিয়ালদহ—প্রায় সর্বত্র মেট্রো স্টেশনে ছিল থিকথিকে ভিড়। তবে যাত্রী পরিষেবা শুরুর প্রথম সোমবারেই এর ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেল কবি সুভাষ-বেলেঘাটা রুটে। কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এমনিতে কার্যত জনশূন্য হয়ে পড়েছে স্টেশনটি। এই স্টেশনেরই একাংশ থেকে বেলেঘাটা রুটের মেট্রো এদিন যখন ছাড়বে, তার আগে মাত্রা পাঁচ-সাতজন যাত্রীকে দেখা গেল। বেলেঘাটা পর্যন্ত যেক’টি স্টেশন রয়েছে, সেগুলির অবস্থাও তথৈবচ। তবে এই রুটে মেট্রো চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাসে কমতি ছিল না সেই গুটিকয়েক যাত্রীর। সোনারপুর থেকে বেলেঘাটা যাওয়ার জন্য দুপুরের মেট্রোতে উঠেছিলেন শ্যামল সরকার। এত ফাঁকা ফাঁকা স্টেশন  দেখে স্বাভাবিক কৌতূহলেই নিরাপত্তাকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘কী ব্যাপার? লোকজন নেই নাকি!’ সেই কর্মীর জবাব, ‘সবে তো কিছুটা রাস্তা চালু হয়েছে। বিমানবন্দর পর্যন্ত পুরো রুটে চালু হতে দিন। তারপর দেখবেন, ভিড় কাকে বলে!’ 

Advertisement

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি মোড়) থেকে এক যাত্রী উঠলেন। সহযাত্রী জানতে চাইলেন, গ্রিন লাইন ধরব কীভাবে? সেটা বুঝতেই কিছুটা সময় নিলেন ওই যাত্রী। মেট্রো যখন বরুণ সেনগুপ্ত স্টেশন পেরচ্ছে, কামরা থেকেই সায়েন্স সিটির ছবি তুললেন কেউ কেউ। তাছাড়া সারাক্ষণ ফাঁকা মেট্রোর রেকে বসে সেলফি তোলার ধুম তো লেগেই ছিল। 
মাঠপুকুরের অফিসে যাওয়ার জন্য বেলেঘাটায় নেমে সোনারপুরের শ্যামলবাবু বলে গেলেন, ‘বাসে ৪৫ মিনিট সময় লাগে। সেটাই মেট্রোয় লাগল ২৪ মিনিট। ট্রেনের ভিড়, বাসের গুঁতো, যানজট কাটিয়ে বাইপাসের আগামীর বস এই অরেঞ্জ লাইন।’    
এদিকে, নোয়াপাড়া-বিমানবন্দর নিয়ে মানুষের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বারাকপুর থেকে রোজ এয়ারপোর্টে আসেন ইমিগ্রেশন বিভাগের সরকারি কর্মী। তিনি বললেন, ‘কখনও দমদম, কখনও বেলঘরিয়া স্টেশনে নেমে এয়ারপোর্টে যাই । কখনও আবার বাইকে করেও অফিসে যেতে হয়। বাসে গেলে এয়ারপোর্ট ১ নম্বর গেটে নামিয়ে দেয়। সেখান থেকে হেঁটে তিনটি সিগন্যাল পেরিয়ে এয়ারপোর্ট অফিস। এখন দমদম বা ক্যান্টনমেন্ট থেকে মেট্রো ধরলেই অফিস। ঝামেলা অর্ধেক কমে গেল।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ