Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘কাজই আমার হয়ে কথা বলবে’

ঢাকা, কলকাতার পর এবার তাঁর বলিউড সফর শুরু হল। সোনি লিভ-এর আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’তে অভিনয়ের মাধ্যমে আরিফিন শুভ পা রাখলেন বলিউডে।

‘কাজই আমার হয়ে কথা বলবে’
  • ৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ঢাকা, কলকাতার পর এবার তাঁর বলিউড সফর শুরু হল। সোনি লিভ-এর আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’তে অভিনয়ের মাধ্যমে আরিফিন শুভ পা রাখলেন বলিউডে। কলকাতা সফরে এসে একান্ত সাক্ষাৎকারে আর কী জানালেন অভিনেতা?

Advertisement

বলিউড যাত্রা নিয়ে কতটা উত্তেজিত?
আরিফিন: ‘জ্যাজ সিটি’র গল্পটা শুরু হয়েছিল আজ থেকে সাড়ে তিন, চার বছর আগে। আমি এই পুরো সময়টা চুপচাপ কাজ করেছি। কারণ আমার মা বলেছিলেন, ‘আকাশে চাঁদ উঠলে বলে দিতে হয় না।’ আমি একথা অক্ষরে অক্ষরে বিশ্বাস করি এবং পালন করি। তাই যে কোনো কাজের আগে আমি সেটা পাবলিক করি না।
‘জ্যাজ সিটি’র জন্য কীভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন?
আরিফিন: প্রথমত জিমি রয়ের চরিত্রের জন্য দু’বছর ধরে অডিশন চলেছে। তারপর আমাকে জিমি রয় হয়ে ওঠার কথা বলা হয়। আমার উপর পরিচালক সৌমিক সেন এতটা ভরসা করেছেন এবং স্টুডিও নাইনের মতো এরকম একটা পরিসরে আমি কাজ করতে পেরেছি বলে আমি কৃতজ্ঞ। এখানে বাংলা, উর্দু এবং ইংরেজি— তিনটে ভাষা রপ্ত করতে হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা আমি আজীবন লালন করতে চাই।
আপনি আপনার কোনো খবর জাহির করেন না। কিন্তু, ইদানীং সবাই জাহির করার প্রতিযোগিতার মত্ত। নিজেকে এই প্রতিযোগিতা থেকে দূরে রাখেন কীভাবে?
আরিফিন: আমি ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ ইন্ট্রোভার্ট মানুষ। আমার মনে হয় কাজই আমার হয়ে কথা বলে দেবে। সোশ্যাল মিডিয়া আজকের দিনে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমার কাজের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।
সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোল কীভাবে সামলান?
আরিফিন: এর কারণটা প্রথমে বুঝতে হবে। কারণ যাঁরা ট্রোল করেন, তাঁরা সর্বদা ভ্যালিডেশন চান। আজকের দিনে ‘ট্রোল’ বলা হয়। বেশ কয়েক বছর আগে সমালোচনা বলা হত। তারও আগে হয়তো অন্য কিছু নামে ডাকা হত। কিন্তু, এটা নতুন নয়। বহু বছর ধরে চলে আসছে। এগুলো আমাকে কোনো ভাবে ছুঁতে পারে না। কারণ যখন সবাই আমাকে ট্রোল করতে ব্যস্ত, তখন আমি কোনো ভালো কাজের জন্য নিজেকে তৈরি করি।
বাংলাদেশে কয়েকদিন আগে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত ছিল। নতুন পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে কাজের সম্পর্ক কতটা উন্নত হবে?
আরিফিন: রাজনৈতিক তরজা সারা পৃথিবী জুড়ে ছিল। কখনো সেটা তীব্র, কখনো মধ্য বা কখনো নিম্নমানের। আমি সবসময় মনে করি শিল্প রাজনীতির ঊর্ধ্বে। শিল্পই রাজনীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে দুই দেশের মধ্যে সেতু বন্ধন করতে সাহায্য করে। আমরা তো ছোটো থেকেই দুই বাংলার গান, কবিতা শুনে এবং পড়ে বড় হয়েছি। সাধারণ মানুষ আমার মতো জায়গাতেই রয়েছেন। যে রাজনৈতিক তরজা তৈরি করা হয়েছে তার ‘পলিসি মেকার’ কিন্তু আমরা নই। সাধারণ মানুষ ভুক্তভোগী। আমি শুধু কাজ করে যেতে চাই। এপার বাংলার আরও কাজ করতে চাই। কারণ আমি বিশ্বাস করি, কর্মেই মুক্তি।
পূর্বাশা দাস

সম্পর্কিত সংবাদ