Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিমান বসুর অনুপস্থিতিতে এই প্রথম শহরে যুদ্ধ-বিরোধী মিছিল বামেদের

বর্ষীয়ান বাম নেতারা বলছেন, ১৯৮৩ সাল থেকে প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর শহর কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলের ডাক দেয় বামপন্থী দলগুলি

বিমান বসুর অনুপস্থিতিতে এই প্রথম শহরে যুদ্ধ-বিরোধী মিছিল বামেদের
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বর্ষীয়ান বাম নেতারা বলছেন, ১৯৮৩ সাল থেকে প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর শহর কলকাতায় যুদ্ধবিরোধী মিছিলের ডাক দেয় বামপন্থী দলগুলি। এই মিছিলের পুরোভাগে থাকেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। কিন্তু মঙ্গলবারের যুদ্ধবিরোধী মিছিলে বিমান বসুকে ম্যাটাডোরের উপর উঠে সংক্ষিপ্ত সভা পরিচালনা করতে দেখা গেল না। কারণ, বিমানবাবু অসুস্থতার কারণে দিল্লিতে। তাঁর বুকে পেসমেকার বসানোর পর তিনি দিল্লির এইমস থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তবে চেকআপ করে আগামী ৩ তারিখ কলকাতায় ফেরার কথা তাঁর। বিমান বসুর অনুপস্থিতিতেই মঙ্গলবার ধর্মতলা থেকে মহাজাতি সদন পর্যন্ত সুবিশাল মিছিল করল বামপন্থীরা।

Advertisement

এদিনের যুদ্ধ বিরোধী মিছিলে বামফ্রন্টের দলগুলির সঙ্গে যোগ দিয়েছিল সিপিআই (এমএল) লিবারেশন এবং এসইউসি। মিছিল শুরুর আগে সিপিএমের মহম্মদ সেলিম, এসইউসির চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য, সিপিআইয়ের স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়, আরএসপির মনোজ ভট্টাচার্য ও লিবারেশনের কার্তিক পাল বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন সিপিএমের কলকাতা জেলার সম্পাদক কল্লোল মজুমদার। বিশ্বজুড়ে শান্তির পক্ষে, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁরা সরব হন।  মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘আমাদের দেশ স্বাধীনতার সময় থেকেই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এবং মুক্তির আন্দোলনের পক্ষে। এরা ধর্মের নামে মানুষকে ভাগ করে। অনেকে বলে এই সংহতি মিছিল কেন? জালিয়ানওয়ালাবাগে যখন ব্রিটিশ গুলি চালায় তখন কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ মিছিল করেছিলেন। মানুষের আন্দোলন, লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানানো আমাদের ঐতিহ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘নামের আগে বিশ্ব বসিয়ে দিলেই বিশ্বগুরু হয় না।’ বৃষ্টিভেজা কলকাতায় মিছিলে, স্লোগানে বামপন্থী কর্মী-সমর্থকদের মুখে মুখে বিমান বসুর কথা ঘুরেছে। অন্যদিকে, এদিনই সরকারি শিক্ষা ও ক্যাম্পাসের গণতন্ত্র বাঁচাতে ডিএসওর ছাত্র সমাবেশে ও মিছিলেও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কলেজ স্ট্রিটে সমাবেশের পর ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ডিএসওর দিল্লির রাজ্য সম্পাদক শ্রেয়া, বাংলার রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিত্ রায় প্রমুখ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ