Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১০ বছর পর প্রার্থী দেওয়ার রাস্তা খোলায় স্বস্তিতে বামফ্রন্ট শিবির

মালদহের চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রে অন্য সমীকরণ খুঁজছে সিপিএম। গত দু’বার বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে হওয়ায় প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে নানা টানাপোড়েনের সাক্ষী থেকেছে বাম শিবির। এবার কংগ্রেসের একলা চলো নীতির জেরে স্বস্তিতে স্থানীয় নেতৃত্ব।

১০ বছর পর প্রার্থী দেওয়ার রাস্তা খোলায় স্বস্তিতে বামফ্রন্ট শিবির
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০২
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহের চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রে অন্য সমীকরণ খুঁজছে সিপিএম। গত দু’বার বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে হওয়ায় প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে নানা টানাপোড়েনের সাক্ষী থেকেছে বাম শিবির। এবার কংগ্রেসের একলা চলো নীতির জেরে স্বস্তিতে স্থানীয় নেতৃত্ব।

Advertisement

দলীয় সূত্রে খবর, অন্য কোনো দলের সঙ্গে জোট হোক বা না হোক, প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে এবার খোলা মনে খেলবে সিপিএম। রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে হুমায়ুন কবীরের জেইউপি। রয়েছে অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম) ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) সহ একাধিক দল। তবে, চাঁচল বিধানসভা এলাকায় সংগঠনের দিক থেকে এই দলগুলির প্রভাব এখনও নামমাত্র। এলাকায় এই দলগুলির সক্রিয় সমর্থক খুঁজতে গেলে আতশকাচ দরকার হবে।
২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে চাঁচল বিধানসভা এলাকায় সিপিএম সাত শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল। যদিও সংগঠনে ভাঙন ও রাজনৈতিক পালাবদলের জেরে সেই ভিত অনেকটাই নড়বড়ে হয়েছে। এবার অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট হলে সিপিএম এবার প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বজায় রাখছে। চাঁচল ১ ব্লক সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক হারুন অল রশিদ বলেন, চাঁচল বিধানসভায় আমাদের সংগঠন এখনও মজবুত। টানা দু’বার আমরা আমাদের দলের প্রার্থী পাইনি। এবার আশা দেখছি। তবে, শীর্ষ নেতৃত্বই সবকিছু ঠিক করবে। এক সময় চাঁচল ছিল সিপিএম ও কংগ্রেসের লড়াইয়ের ক্ষেত্র। 
কংগ্রেস একাধিকবার জয় পেয়েছে। আবার সিপিএমের নাজমুল হক টানা দু’বার বিধায়ক হন এই আসনে। পরে তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সমীকরণ বদলে যায়। ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে সিপিএম। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ে সিপিএম। সেই জোট সাফল্যও পেয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের কাছে পরাজিত হন। সিপিএমের চাঁচল ১ এরিয়া কমিটির সদস্য জিয়াউল আনসারি বলেন, নতুন কোনও দলের সঙ্গে বোঝাপড়া হলেও প্রার্থী হবেন আমাদের। শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এই দাবি থাকবে আমাদের। রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদলের অপশাসন নিয়ে ভোট প্রচারে নামা হবে। 
চাঁচল ১ ব্লক কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজি আতাউর রহমানের কথায়, আমরা এবার চাঁচলে একাই লড়ছি। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন, ধর্ম নিরপেক্ষ দলকে সমর্থন করুন।
কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি আলাদা লড়াই করলে তৃণমূলের চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। সেপ্রসঙ্গে চাঁচল ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ আফসার আলি বলেন, সিপিএম ও কংগ্রেস রাজ্যে শূন্য। ভোটার তো দূরের কথা, চাঁচলে এদের সংগঠনও নড়বড়ে। এখানে লড়াই হবে বিজেপির সঙ্গে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ