নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রবিবার রাতে দক্ষিণেশ্বরের গঙ্গার ঘাট থেকে জল তুলে লক্ষাধিক মানুষ পায়ে হেঁটে বারাকপুরের শম্ভুনাথ মন্দিরে যান। শম্ভুনাথ বাবার মাথায় জল ঢালেন। বছরের পর বছর এটাই হয়ে আসছে। তবে এবছর অন্যবারের তুলনায় ভিড় অনেক বেশি। রবিবার রাতে দক্ষিণেশ্বর থেকে বারাকপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুণ্যার্থীদের ভাণ্ডারা দেওয়া হয়। রবিবার রাত ৮টার পর থেকে বিটি রোডের বারাকপুরগামী লেনে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। একটি লেনে সমস্ত গাড়ি যাতায়াত করে। ভিড়ের চাপে সোমবার সকালে বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কয়েকটি স্কুল বন্ধ করা হয়। ভোর চারটেয় মন্দির খোলার কথা ছিল। কিন্তু লক্ষাধিক মানুষ সামলাতে ভোর সোয়া তিনটেতেই মন্দির খুলতে হয়। তবে এর মধ্যে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ভিড়ের চাপে কয়েকজন মহিলা আহত হন। আবার শম্ভুনাথ মন্দিরে জল ঢেলে মঙ্গল পান্ডে ঘাটে গঙ্গায় স্নান করতে নেমে ডুবে যায় আদর্শ প্রসাদ সাউ নামে এক কিশোর। খবর পেয়ে পুলিস কমিশনার মুরলিধর শর্মা গঙ্গার ঘাটে যান। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা গঙ্গায় তল্লাশি চালান। বাকি তিন বন্ধুর সঙ্গে গঙ্গায় নেমেছিল আদর্শ। সে সাঁতার জানত না। জলস্রোতে তলিয়ে গিয়েছে বলে পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। শম্ভুনাথ মন্দিরের অন্যতম কর্তা বিবেক সিং বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমার বাবা এই মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসেন। দক্ষিণেশ্বর থেকে ১৮ কিলোমিটার পথ হেঁটে বাবা শম্ভুনাথ মন্দিরে জল ঢালেন। কয়েক হাজার মানুষকে ভোগ বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার রুদ্রাভিষেক এবং যজ্ঞ হয়।



