পর্তুগাল- ১ : কঙ্গো- ১
পর্তুগাল- ১ : কঙ্গো- ১
(নেভেস) (উইসা)
হিউস্টন: মেসির হ্যাটট্রিক। এমবাপে জ্বলে উঠেছেন। হালান্ডও জোড়া গোল করে স্টেডিয়াম মাতিয়েছেন— চলতি বিশ্বকাপ যেন তারকাদেরই মঞ্চ হয়ে উঠেছে। প্রতি রাতেই তাঁরা ইতিহাস লিখছেন। আর তাই বুধবার ফুটবল বিশ্বের নজর ছিল হিউস্টনে। কেরিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নামা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দিকে। পর্তুগিজ সমর্থকরা আশায় ছিলেন, তাঁদের মহাতারকা অনামী কঙ্গোর বিরুদ্ধে জ্বলে উঠবেন। কিন্তু, কোথায় কী! গোটা ম্যাচে নিজের ছায়া হয়েই থাকলেন সিআরসেভেন। আর তাঁর দল পর্তুগালও আটকে গেল ৫২ বছর পর ফের বিশ্বকাপ খেলতে নামা দলের কাছে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সর্বদাই কঠিন। বুধবার রোনাল্ডোকে সিঙ্গল স্ট্রাইকারে রেখে ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। আর প্রথম মিনিট থেকে পর্তুগিজদেরই দাপট ছিল। প্রত্যাশিতভাবে কাঙ্ক্ষিত গোল আসতেও বিলম্ব হয়নি। ষষ্ঠ মিনিটেই পেড্রো নেটোর ক্রস থেকে হেডে জাল কাঁপান জোয়াও নেভেস (১-০)। তখন মনে হয়েছিল এই কঙ্গোকে গোলের মালা পরাবে মার্তিনেজ-ব্রিগেড। কিন্তু গোল হজমের পরই গা ঝাড়া দেয় আফ্রিকার দেশটি। এরপর পর্তুগালকে রীতিমতো বেগ দিলেন বোকাম্বুরা। প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ে হিউস্টন স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে কঙ্গোকে সমতায় ফেরালেন ইয়োয়ান উইসা। মাশুয়াকার ইনসুইং ক্রস থেকে হেডে জাল কাঁপালেন নিউকাসল ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড (১-১)। এই পর্বে বিপক্ষ ফুটবলারদের ফিজিক্যাল ফুটবলের সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না বের্নার্ডো সিলভারা। পাশাপাশি পর্তুগালের প্রধান ডিফেন্ডার রুবেন ডিয়াজের অভাবও টের পাওয়া গেল। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বেনার্ডো সিলভাকে তুলে কনসেকাওকে নামান মার্তিনেজ। তারপর একে একে রাফায়েল লিয়াও, সেমেদো, গনসালো র্যামোসরা মাঠে এলে আক্রমণে ধার অবশ্য বেড়েছিল পর্তুগালের। ৭৪ মিনিটে ব্রুনোর পাস থেকে রোনাল্ডোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তার মিনিট দশ পর আরও একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সিআরসেভেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর গোল আসেনি। মাথা নীচু করেই মাঠ ছাড়লেন ফার্নান্ডেজরা।