সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: সন্ধ্যা নামলেই কার্যত অন্ধকারে ডুবে যায় দিগনগর পঞ্চায়েতের হাতিশালা থেকে মইলকা যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ। রাস্তার প্রায় অনেকটা জায়গাতেই পর্যাপ্ত কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই। কোথাও কোথাও পথবাতি থাকলেও তারও বেশ কিছু দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফলে সন্ধ্যার পর এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন মানুষ। বিশেষ করে বর্ষার মরশুমে অন্ধকারের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কার পাশাপাশি সাপ, পোকামাকড় ও অন্যান্য কীটপতঙ্গের আতঙ্কও রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হাতিশালা–মইলকা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। দিনের বেলায় চলাচলে তেমন সমস্যা না হলেও সন্ধ্যার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়। রাস্তার বেশ কিছু অংশে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় পথ কার্যত অন্ধকারে ডুবে থাকে। রাস্তার যে অংশগুলিতে আগে থেকে লাইট বসানো হয়েছে, সেগুলিরও বেশ কিছু অকেজো। ফলে একদিকে যেমন থাকে দুর্ঘটনার ভয়, অন্যদিকে চুরি ডাকাতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই সঙ্গে বর্ষায় বিভিন্ন পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব তো থাকেই। এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তাটিতে যে অংশে কোনো আলো নেই, সেখানে আলোর ব্যবস্থা হোক এবং খারাপ হয়ে যাওয়া লাইনগুলি ঠিক করে দেওয়া হোক।
দিগনগর পঞ্চায়েতের প্রধান দিগলি বিশ্বাস বলেন, লাইটগুলি ঠিকই ছিল, রাস্তার কাজের সময় অনেক তার ছিঁড়ে গিয়েছে। আমরা কন্ট্রাক্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি লাইট ঠিক করে দেওয়ার জন্য। এখনও ঠিক হয়নি। এছাড়া আমরা পঞ্চায়েত থেকেও বেশ কিছু লাইট লাগিয়েছি। সব তো পঞ্চায়েত থেকে করা সম্ভব নয়, তাই আমরা জেলা ব্লক সবেতেই জানিয়েছি, আলোর ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। বাপন দাস নামে এক টোটো চালকের কথায়, রাস্তার আলো না থাকলে দূর থেকে কে আসছে, তাও অনেক সময় বোঝা যায় না। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। নিরাপত্তার জন্য আলো খুব প্রয়োজন। -নিজস্ব চিত্র