Bartaman Logo
১৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কুয়াশায় দিকভ্রষ্ট হয়ে চরে আটকে লঞ্চ,   পাঁজাকোলা করে উদ্ধার শিশু-প্রবীণ

কুয়াশায় দিকভ্রষ্ট হয়ে চরে আটকে লঞ্চ,   পাঁজাকোলা করে উদ্ধার শিশু-প্রবীণ
  • ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, চুঁচুড়া ও বারাকপুর: ঘন কুয়াশায় ডায়মন্ডহারবার ফেরিঘাট থেকে বেরিয়ে দিকভ্রষ্ট যাত্রীবোঝাই একটি লঞ্চ। তারপর অপেক্ষাকৃত দুর্গম জায়গায় গিয়ে নদীর চরে আটকে যায় সেটি। ফলে অন্য জলযান পাঠিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে আনা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে নরম কাদার উপর দিয়ে হেঁটে ঘাটে ফেরেন। শিশু ও প্রবীণদের পাঁজাকোলা করে উদ্ধার করে দমকল। ডায়মন্ডহারবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের কুঁকড়াহাটি যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ছেড়েছিল লঞ্চটি। মহিলা, শিশু ও প্রবীণ মিলিয়ে শতাধিক যাত্রী ছিল। কুয়াশার ফলে দৃশ্যমান্যতা ভয়ানক কমে গিয়েছিল। লঞ্চের চালক কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না বলে পরে জানান। ফেরিঘাট ছেড়ে কিছুটা এগিয়ে একটি ইটভাটার কাছে নদীর চরে আটকে যায় লঞ্চটি। তখন ভাটার সময়। তার উপর লঞ্চের ইঞ্জিনেরও সমস্যা তৈরি হয়। ফলে বেরিয়ে আসতে পারেনি জলযানটি। খবর যায় ডায়মন্ডহারবার পুরসভার কাছে। তারা দমকলকে জানায়। দমকল কর্মীরা নৌকা নিয়ে নদীতে নেমে লঞ্চের অবস্থান খুঁজে বের করেন। তারপর একে একে শিশু ও বয়স্কদের পাঁজাকোলা করে ফেরিঘাটের দিকে নিয়ে আসেন। আপৎকালীন চিকিৎসার প্রয়োজনে ছিল মেডিক্যাল টিম। প্রশাসনিক আধিকারিকরাও পৌঁছন জেটি ঘাটে। ঘণ্টা তিনেক বন্ধ থাকে পরিষেবা। কুয়াশার প্রভাব কমার পর ধীরে তা স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের বহু জায়গায় ছিল ঘন কুয়াশার দাপট। বারাকপুরে ট্রেন, বাস ও ফেরি চলাচলের উপর এর প্রভাব পড়ে। নৈহাটি চুঁচুড়ার বড়মা ফেরি সার্ভিস সকালের দিকে বন্ধ ছিল। চন্দননগরের ফেরিঘাট থেকে দেরি করে চলেছে লঞ্চ। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে ছিল কুয়াশার কারণে ঝাপসা। কয়েক হাত দূরের কিছু দেখা যাচ্ছিল না বলে বক্তব্য বাসিন্দাদের। সকালে বাসের গতি ছিল ধীর। সবমিলিয়ে গণপরিবহণ ব্যবস্থা সকালের দিকে ব্যাহত হয়। সে কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ